৪ এপ্রিল ২০২৬

দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় শীর্ষে ঢাকা
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: কুয়াশা ভেদ করে সূর্য উঁকি দেয়ায় শীতের তেজ কিছুটা কমলেও থেমে নেই রাজধানীর বায়ুদূষণ। শুষ্ক আবহাওয়ায় ক্রমেই যেন ঢাকার বাতাসে বেড়ে চলেছে দূষণের মাত্রা। এই অবস্থায় সোমবার (১৩ জানুয়ারি) বায়ুদূষণে বিশ্বের ১২৩ শহরের মধ্যে সবার শীর্ষে উঠে এসেছে রাজধানী। এদিন সকাল সাড়ে ৯টায় সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুমান পর্যবেক্ষণকারী প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউএয়ার সূচক থেকে এ তথ্য জানা যায়। আইকিউএয়ার বাতাসের মান নিয়ে লাইভ বা তাৎক্ষণিক সূচক প্রকাশ করে। যা একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটা নির্মল বা দূষিত, সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয়ার পাশাপাশি সতর্ক করে। সোমবার সকাল সাড়ে ৯টায় আইকিউএয়ার সূচকে সবার শীর্ষে থাকা রাজধানীর বাতাসের মানের স্কোর ২৭৫। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। এই অবস্থায় নগরবাসীকে জানালা বন্ধ রাখার পাশাপাশি ঘরের বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহারের পরামর্শ দেয়া হয়েছে। এদিকে বায়ুদূষণে বিশ্বের ১২৩ শহরের মধ্যে তালিকার দুই নম্বরে আছে ভিয়েতনামের হ্যানয়। শহরটির বাতাসের মানের স্কোর ২৩৬। বাতাসের এই মানও নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে ধরা হয়। এছাড়া ২৩৪ স্কোর নিয়ে তালিকার শীর্ষ তিনে অবস্থান করছে পাকিস্তানের করাচি। বাতাসের এই মানও নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়। একিউআই স্কোর শূন্য থেকে ৫০ পর্যন্ত ভালো হিসেবে বিবেচিত হয়। ৫১ থেকে ১০০ পর্যন্ত স্কোর মাঝারি হিসেবে গণ্য করা হয়। আর সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর বিবেচিত হয় ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর। অন্যদিকে স্কোর ১৫১ থেকে ২০০ হলে তাকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বায়ু বলে ধরা হয়। পাশাপাশি ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোরকে ‘খুব অস্বাস্থ্যকর’ বলা হয়। এ অবস্থায় শিশু, প্রবীণ এবং অসুস্থ রোগীদের বাড়ির ভেতরে এবং অন্যদের বাড়ির বাইরের কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখার পরামর্শ দেয়া হয়ে থাকে। এছাড়া ৩০১ থেকে ৪০০ এর মধ্যে থাকা একিউআই স্কোর ‘ঝুঁকিপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়, যা নগরের বাসিন্দাদের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে। বিপি/টিআই
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি