২৩ আগস্ট ২০২৬

গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ আগস্ট ২০২৬, ১২:০০ পিএম
গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনে নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

 

আজ (রোববার, ২৩ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় এ বিষয়ে নীতিগত আলোচনা হয়। মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খানের সভাপতিত্বে সভায় প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেনসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভায় মন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের স্বীকৃতি দিয়ে যেমন ‘‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান অধিদপ্তর’’ গঠন করা হয়েছে, তেমনি দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যারা গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন ও মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, রাষ্ট্র তাদের ত্যাগের আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে চায়।’

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতে কোনো ফ্যাসিস্ট শক্তি যেন জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো পরিবারকে স্বজন হারানোর মতো বর্বরতার শিকার হতে না হয়, সে জন্য স্থায়ী প্রতিরোধ গড়ে তুলতেই এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল মানুষের স্বাধীনভাবে বেঁচে থাকা, মানবাধিকার সুরক্ষা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা। যারা এসব আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে জীবন দিয়েছেন, গুম হয়েছেন, নির্যাতিত হয়েছেন বা আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়েছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্রের কিছু করার দায়িত্ব রয়েছে।’

সভায় নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠার পাশাপাশি ভুক্তভোগী ও তাদের পরিবারের অধিকার ও ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে আইন প্রণয়ন এবং ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর ‘শিডিউল-১ (অ্যালোকেশন অব বিজনেস)’ সংশোধনের বিষয়ে আলোচনা হয়।

 


জাতিসংঘের ‘রাইট টু আ রেমেডি অ্যান্ড রিপারেশন’–সংক্রান্ত নীতিমালা ও বাংলাদেশের সংবিধান অনুসরণ করে ভুক্তভোগীদের কল্যাণে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার বিষয়েও সভায় মতামত দেয়া হয়।

সভায় মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, পররাষ্ট্র, জনপ্রশাসন, স্বরাষ্ট্র, অর্থ, আইন ও বিচার, সমাজকল্যাণ, স্বাস্থ্যসহ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

বিপি/কেজে

 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি