হামজার অপেক্ষায় পুরো দল
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: প্রথম ম্যাচে টিকিটের দাম শেষ মুহূর্তে কমিয়ে দিলেও সেভাবে গ্যালারি ভরেনি। তবে সাফে শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে বৃহস্পতিবারের ম্যাচে গ্যালারি যে টইটম্বুর থাকবে বলে মনে করছেন অনেকে। কেননা সেই ম্যাচে যে মাঠে নামবেন বাংলাদেশের পোস্টার বয় হামজা চৌধুরী। গতকাল শনিবার শেফিল্ডের হয়ে ম্যাচ খেলার পর আজ ঢাকার বিমানে ওঠার কথা তাঁর। সোমবার সকালে তাঁর সঙ্গে আসবেন ফারহান আলি ওয়াহিদও।
এ দুই তারকা ফুটবলারের আগমনে দলীয় সংহতি আরও বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন মোরছালিন। ‘আমরা অবশ্যই খুব আশাবাদী। হামজা ভাই, ফারহান (আলি ওয়াহিদ) এলে আমাদের দলের স্পিরিট আরও বাড়বে।’ মোরছালিন নিজেও সেই ম্যাচের জন্য প্রস্তুত আছেন বলে জানিয়েছেন গতকাল শনিবার। জ্বর থাকায় ভুটানের প্রথম ম্যাচের স্কোয়াডে ছিলেন না মোরছালিন। তাই নাম্বার নাইনে বাধ্য হয়ে বিশ্বনাথকে খেলিয়েছিলেন কোচ থমাস ডুলি। তবে গতকাল দলের সঙ্গে অনুশীলনের পর মোরছালিনের ঘোষণা, ‘আমি প্রস্তুত আছি ম্যাচটি খেলতে। আমরা সবাই একমত যে শ্রীলঙ্কার দল খুবই ভালো। আমরা তাদের হালকাভাবে নিচ্ছি না। যেহেতু আমরা প্রথম জিতেছি, আমাদের সবার আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়েছে। জেতার জন্যই আমরা খেলব।’
ভুটানের বিপক্ষে দলের অন্যতম সেরা চার ফুটবলারকে পাননি কোচ ডুলি। হামজা, মোরছালিন, ফারহানের সঙ্গে তপু বর্মণও ছিলেন না সেদিন। শ্রীলঙ্কার বিপক্ষেও তপুকে ঘিরে অনিশ্চয়তা আছে, তবে বাকি সবাইকে পেতে পারেন তিনি। এখানেই প্রশ্ন থেকে যায়, সেদিনও কি লঙ্কার বিপক্ষে ডিফেন্ডার বিশ্বনাথকে ফরোয়ার্ডে খেলাবেন কোচ? আপাতত যা খবর, তাতে ডুলি সেদিনও আক্রমণভাগে বিশ্বনাথের ক্ষিপ্রতা ব্যবহার করতে চাইছেন। মাঝমাঠে রাখতে চাইছেন হামজাকে। ফারহানকেও ম্যাচ টাইম দেবেন তিনি। সেই সঙ্গে মোরছালিনকেও রাখবেন ম্যাচের কোনো এক অংশে। কোচের এই কৌশল নিয়ে মিডিয়াতে পাঁচ কথা হলেও লকাররুমে আস্থা আছে। বিশ্বনাথের পাশেই থাকছেন মোরছালিন। ‘আমাদের তো নাম্বার নাইনের সমস্যা অনেক দিন ধরে, এটা সবাই জানে। আমরা যখন যেখানেই সুযোগ পাই... যেমন আমি মিডফিল্ডের প্লেয়ার হয়েও অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে অনেক সময় খেলেছি। কোচ যেখানেই সুযোগ দেবে আমাকে সেখানে খেলার জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বিশ্বনাথ দাদাও চেষ্টা করেছেন। ডিফেন্ডার হয়েও আক্রমণভাগে ভালো খেলেছেন বা চেষ্টা করেছেন। আমার মনে হয়, যারা আছে সবারই এ রকম মানসিকতা থাকা উচিত, যে যেখানেই সুযোগ পাক, ভালো করতে হবে।’
দলের বাইরে আরও একটি গুঞ্জন বেশ শোনা যায়– স্থানীয় ফুটবলারদের সঙ্গে বংশোদ্ভূত ফুটবলারদের একটা মানসিক দূরত্ব আছে। এমন অভিযোগ এক কথায় উড়িয়ে দিয়েছেন মোরছালিন। ‘না সেরকম কিছু আমার মনে হয় না। আমার কাছে মনে হয় যে আমাদের বাংলাদেশ দলে যারা আছে, সবাই দেশের জন্যই খেলে। আমরা সবাই মিলে দেশকে বারবার জয়ের আনন্দে ভাসাতে চাই।’
বিপি/টিআই
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি