ইরানে হামলা বন্ধের নেপথ্যে কী? কারণ জানাল যুক্তরাষ্ট্র
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলা টানা দুই সপ্তাহের বিমান হামলার পর সম্প্রতি পাল্টাপাল্টি হামলা স্থগিত করা হয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে তীব্র বোমাবর্ষণের পর শুক্রবার (২৪ জুলাই) হঠাৎ করেই ইরানের ওপর বিমান হামলা বন্ধ করে দেয় মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। আল-জাজিরার বিশ্লেষণ
এরপর থেকে ওয়াশিংটন আর কোনো হামলা পরিচালনা না করায় মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটি ও অবকাঠামো লক্ষ্য করে তেহরানের প্রতিশোধমূলক হামলাও বন্ধ রয়েছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অস্ত্র সংকট কিংবা গোলাবারুদ কমে যাওয়ার খবর অস্বীকার করলেও, মার্কিন সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে যে ওয়াশিংটনের কাছে বিমান প্রতিরক্ষার ইন্টারসেপ্টর বা প্রতিহতকারী অস্ত্রের মজুদ কমে আসতে পারে। একই সঙ্গে ক্রমবর্ধমান পরিস্থিতির মুখে উভয়পক্ষের ওপরই কূটনীতিকে নতুন সুযোগ দেওয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে হামলার হঠাৎ বিরতি ঘটলেও এই যুদ্ধের সবচেয়ে বড় সংবেদনশীল স্থান হরমুজ প্রণালি এখনো বন্ধ রয়েছে। ইরানের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম জানিয়েছে, প্রণালির দক্ষিণ দিকে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অমান্য করে কয়েকটি জাহাজ যাওয়ার চেষ্টা করলে একটি জাহাজ দুর্ঘটনার শিকার হয় এবং বাকিগুলো ইরানি কর্তৃপক্ষের ব্যবস্থাপনায় উপসাগরে ফিরে আসে। তবে বাহরাইন, কুয়েত ও জর্ডানে অবস্থিত মার্কিন সামরিক সম্পদ ও অবকাঠামোয় ইরানের প্রতিশোধমূলক হামলা বন্ধ রয়েছে।
মার্কিন পক্ষ থেকে ইরানের বন্দরগুলোতে নৌ অবরোধ বলবৎ থাকার কথা বলা হলেও কেন হঠাৎ আক্রমণ বন্ধ করা হলো সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কিছু জানানো হয়নি। অন্যদিকে উপসাগরীয় দেশগুলোর অর্থনীতিতে এই সংঘাতে ব্যাপক ক্ষতি হওয়ায় এবং সামরিক শক্তি দিয়ে একে অপরকে সম্পূর্ণ দমাতে ব্যর্থ হওয়ায় উভয়পক্ষই এখন উচ্চ ব্যয়ের মুখে আলোচনা ও কূটনীতির পথে ফেরার তাগিদ অনুভব করছে।
কাতার, মিশর ও পাকিস্তানের মতো আঞ্চলিক মধ্যস্থতাকারীরা ১০ দিনের যুদ্ধবিরতির একটি নতুন প্রস্তাব নিয়ে কাজ করছেন এবং বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে বার্তা আদান-প্রদান চলছে।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
ট্রাম্পের ক্ষমার পর স্বদেশে ফিরলেন হন্ডুরাসের সাবেক প্রেসিডেন্ট হার্নান্দেজ
সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট
সঙ্গীত একাডেমি