এদিকে জেলেনস্কি অভিযোগ করেছেন, রাশিয়া সময় নষ্ট করছে।
গতকাল কিয়েভে ন্যাটো মহাসচিব মার্ক রুতেকে পাশে নিয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে জেলেনস্কি বলেন, ‘কোন উপায়ে যুদ্ধ শেষ করা যায়, তার একটি উপাদান হলো ওই বৈঠক। আর যতক্ষণ তারা এটি (যুদ্ধ) শেষ করতে না চাইবে, ততক্ষণ তারা এটি (বৈঠক) এড়িয়ে যাওয়ার সুযোগ খুঁজবে,
রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ এনবিসিকে বলেছেন, এমন একটি শীর্ষ বৈঠকের কোনো এজেন্ডা এখনো নেই। তিনি আরও বলেন, ‘যখন একটি শীর্ষ বৈঠকের এজেন্ডা প্রস্তুত হবে, পুতিন তখন জেলেনস্কির সঙ্গে দেখা করতে প্রস্তুত হবেন। আর এ ধরনের কোনো এজেন্ডা একেবারেই প্রস্তুত নয়।’
লাভরভের মন্তব্য ও পরবর্তী পদক্ষেপ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে ট্রাম্প গতকাল সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঠিক আছে, দেখা যাক। আমরা দেখব পুতিন ও জেলেনস্কি একসঙ্গে কাজ করতে পারেন কি না। এটা কিছুটা তেল ও পানির মতো—একসঙ্গে মেলানো সহজ নয়।’
‘তিনি হয়তো আসছেন’
ট্রাম্প আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতির সময় রাশিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়টি বাতিল করেছিলেন। কিন্তু গতকাল হোয়াইট হাউসে তিনি সম্ভাব্য নিষেধাজ্ঞার কথা উল্লেখ করেন। আবার সেখানেই তিনি আলাস্কায় পুতিনের সঙ্গে তাঁর বৈঠকের একটি ছবি দেখিয়ে বলেন, ‘পুতিন ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপে উপস্থিত হতে যুক্তরাষ্ট্র আসতে পারেন।’যদিও ২০২২ সালে ইউক্রেনে সামরিক অভিযান শুরু করার পর রাশিয়াকে বিশ্বকাপের মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা থেকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। এমনকি রাশিয়া ২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের কোয়ালিফিকেশন রাউন্ডে অংশ নেয়নি। ২০২৬ সালের ফুটবল বিশ্বকাপের তিন আয়োজক দেশ যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও মেক্সিকো। নিষেধাজ্ঞার কারণে পুতিন বিশ্বকাপ ফুটবলে উপস্থিত হতে যুক্তরাষ্ট্রে যেতে পারবেন কি না, সে বিষয়ে ট্রাম্প এদিন কিছু বলেননি।
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি/এস পি