৩০ আগস্ট ২০২৬

জিসান হত্যা: হাসিনা-জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ৩০ আগস্ট ২০২৬, ০৭:৩৫ এএম
জিসান হত্যা: হাসিনা-জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট

 


বাংলাপ্রেস ডেস্ক:চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মাতুয়াইল এলাকায় আব্দুর রহমান জিসানকে গুলি করে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেছে পুলিশ।

রোববার যাত্রাবাড়ী থানার আদালতের সাধারণ নিবন্ধন শাখার কর্মকর্তা পুলিশের উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দিন চৌধুরী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

শেখ হাসিনা ও সজীব ওয়াজেদ জয় ছাড়াও মামলার উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা মেজর জেনারেল (অব.) তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক স্থানীয় সরকারমন্ত্রী তাজুল ইসলাম, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, হাসানুল হক ইনু, আনিসুল হক ও জাহাঙ্গীর কবীর নানক।

এছাড়া সাবেক সংসদ সদস্য কাজী মনিরুল ইসলাম মনু ও মশিউর রহমান সজল, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক চৌধুরী আবদুল্লাহ আল মামুন, সাবেক ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান, ঢাকার সাবেক ডিবি প্রধান হারুন অর রশীদ, র‌্যাবের সাবেক মহাপরিচালক হারুন অর রশীদ, সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার এবং যাত্রাবাড়ী থানার সাবেক ওসি আবুল হাসানকে আসামি করা হয়েছে।

উপ-পরিদর্শক মহিউদ্দিন চৌধুরী বলেন, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা যাত্রাবাড়ী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) কাউছার হুসাইন গত ৮ জুলাই আদালতে এ চার্জশিট দাখিল করেন। আগামী ৬ অক্টোবর মামলার চার্জশিট গ্রহণের বিষয়ে শুনানির দিন ধার্য রয়েছে।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, চব্বিশের জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ২০ জুলাই রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইলে আন্দোলনে অংশ নেন জিসান। তিনি আন্দোলনকারীদের পানি পান করাচ্ছিলেন। এ সময় আসামিদের গুলিতে নিহত হন তিনি। এ ঘটনায় জিসানের বাবা বাবুল মিয়া ২০২৪ সালের ২৫ আগস্ট একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি