১৩ জুলাই ২০২৬

খামেনি হত্যার অভিযোগে ট্রাম্পসহ ১৩ নেতা ‘প্রতিশোধের তালিকায়’

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৩ জুলাই ২০২৬, ০৬:৫৮ এএম
খামেনি হত্যার অভিযোগে ট্রাম্পসহ ১৩ নেতা ‘প্রতিশোধের তালিকায়’

ছবি: সংগৃহীত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি হত্যার প্রতিশোধের অংশ হিসেবে টার্গেট করা হতে পারে—এমন ১৩ জন বিদেশি নেতার একটি তালিকা প্রকাশ করেছে দেশটির রক্ষণশীল দৈনিক হামশাহরি। ওই তালিকায় যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং ইউরোপের কয়েকজন শীর্ষ নেতার নাম রয়েছে।

প্রতিবেদনের বরাতে এএফপি জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের প্রথম দিন (২৮ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলায় আয়াতুল্লাহ আলী খামেনি নিহত হন। এরপর তার ছেলে ও উত্তরসূরি মোজতবা খামেনি প্রতিশোধ নেওয়ার অঙ্গীকার করেন।

শনিবার প্রকাশিত এক বার্তায় মোজতবা খামেনি বলেন, ‘প্রতিশোধ আমাদের জাতির ইচ্ছা এবং তা অবশ্যই বাস্তবায়িত হবে। যাদের নাম তালিকায় রয়েছে, তারা শান্তিপূর্ণ মৃত্যুর আশা নিয়েই কবর পর্যন্ত যাবে।’ তবে তিনি কারও নাম প্রকাশ করেননি।

১৩ জনের নাম জানিয়েছে ইরানের একটি পত্রিকা। সংগৃহীত ছবি

এর কিছুক্ষণ পরই তেহরান সিটি কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত হামশাহরি পত্রিকা অনলাইনে একটি ইনফোগ্রাফিক প্রকাশ করে। সেখানে মোজতবা খামেনির বক্তব্যের সঙ্গে ১৩ জন বিদেশি নেতার ছবি যুক্ত করা হয়। তবে এই তালিকাটি ইরানের সরকারের আনুষ্ঠানিকভাবে অনুমোদিত কিনা জানায়নি এএফপি।

যাদের ছবি প্রকাশ করা হয়েছে তাদের মধ্যে রয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প, ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু, যুক্তরাজ্যের প্রধানমন্ত্রী কিয়ের স্টারমার, মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথ, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রোঁ, ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনি এবং জার্মানির চ্যান্সেলর ফ্রিডরিশ মেরৎস।

যুদ্ধ চলাকালে ইরান অভিযোগ করেছিল, ইউরোপীয় দেশগুলো তাদের ভূখণ্ডে হামলার নিন্দা জানাতে ব্যর্থ হয়েছে। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বিমানগুলোকে নিজেদের আকাশসীমা ব্যবহার করতে দিয়ে তারা হামলার সহযোগী হয়েছে বলেও তেহরানের অভিযোগ। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি