২৭ মে ২০২৬

কোটা সংরক্ষণ নয়, মেধার ভিত্তিতেই চাকরি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪১ পিএম
কোটা সংরক্ষণ নয়, মেধার ভিত্তিতেই চাকরি
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: অবশেষে অগ্নিগর্ভ বাংলাদেশে শান্তির হাওয়া। ছাত্রদের পক্ষেই রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। জানা গেছে, প্রায় ৩ ঘণ্টা ধরে এই মামলার শুনানি চলে। ফলস্বরূপ, মুক্তিযোদ্ধা কোটার হার কমিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত। এর পাশাপাশি পড়ুয়াদের ক্লাস করতে আবেদন জানিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিনুদ্দিন জানিয়েছেন, 'সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছে হাইকোর্টে রায় অবৈধ। মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য সরকারি চাকরিতে পাঁচ শতাংশ আসন সংরক্ষিত থাকবে। অন্যান্য শ্রেণির জন্য থাকবে আরও দুই শতাংশ সংরক্ষণ।' তবে শীর্ষ আদালত একেবারেই মুক্তিযোদ্ধা সংরক্ষণ তুলে দেয়নি। জানা গিয়েছে, সেটি ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে ৫ শতাংশ করা হয়েছে। মেধা নির্ভরদের জন্য ৯৩ শতাংশ। বাকি ২শতাংশ অন্যান্যদের জন্য। উল্লেখ্য, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর সরকার সরকারি চাকরি ও প্রশাসনিক পদে ৫৬ শতাংশ সংরক্ষণ করেছিল মুক্তিযোদ্ধাদের এবং তাঁদের আগামী প্রজন্মের জন্য। বাকি ৪৪ শতাংশ ছিল সাধারণের জন্য। ৫৬ শতাংশের মধ্যে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধাদের স্বজনদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ, বিভিন্ন জেলার জন্য ১০ শতাংশ, জনজাতিদের জন্য ৫ শতাংশ এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য ১ শতাংশ সংরক্ষিত পদ ছিল। ২০১৮ সালে এই সংরক্ষণ সংস্কারের দাবিতে সরব হয় ছাত্র-যুবরা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু হয়। সেই সময় হাসিনা মুক্তিযোদ্ধার স্বজনদের জন্য ৩০ শতাংশ, নারীদের জন্য ১০ শতাংশ এবং জেলা খাতে ১০ শতাংশ সংরক্ষণ বাতিল করে দেন। এর পাল্টা ৭জন মুক্তিযোদ্ধা পরিবার হাইকোর্টে যান। এবং সেই নির্দেশনামার বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করে। চলতি বছরের ৫ জুন হাইকোর্ট সেই নির্দেশনামা অবৈধ বলে রায় দেয়। নির্দেশনামা বাতিলের অর্থ ফের আগের মতো সংরক্ষণ ফিরে আসা। তারই প্রতিবাদে বাংলাদেশের পড়ুয়ারা তীব্র আন্দোলনে সোচ্চার হয়। আন্দোলন রণক্ষেত্রের রূপ নেয়। শতাধিক পড়ুয়া এই আন্দোলনে প্রাণও হারায়। বহুসংখ্যক নিহত হয়ে বলে জানা যায়। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাসিনা সরকার কার্ফু জারি করে। রাস্তায় নামানো হয় সেনা নামানো হয়। গোটা দেশ জুড়ে টহলদারি দেয় সেনারা। যদিও বাংলাদেশি কর্তৃপক্ষ এখনও পর্যন্ত নিহত ও আহতদের কোনও আনুষ্ঠানিক সংখ্যা জানায়নি। তবে এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে, দুপুর ৩টে থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত বাংলাদেশ কার্ফু তুলবে। তারপর আবার বিকেল ৫টা থেকে কার্ফু জারি করবে। তবে সুপ্রিম কোর্টে রায়ের পর অশান্তি কমবে বলেই মনে করা হচ্ছে। বিপি।এসএম
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

FIRDAUS FASHIONS


FIRDAUS FASHIONS

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি