২৬ মে ২০২৬

লক্ষ্মীপুরে চাঁদা না পেয়ে যুবককে থানায় দেওয়ার অভিযোগ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
লক্ষ্মীপুরে চাঁদা না পেয়ে যুবককে থানায় দেওয়ার অভিযোগ

লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি : লক্ষ্মীপুরে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করে না পাওয়ায় এক যুবককে থানায় নিয়ে পুলিশে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। অভিযুক্ত চেয়ারম্যান সদর উপজেলার লাহারকান্দী ইউনিয়নের মোশাররফ হোসেন মশু। ঘটনা টি ঘটে বুধবার ৯ অক্টোবর ১২টায়।

ভুক্তভোগী রুবেলের বাবা ইকবাল হোসেন সাংবাদিকদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, চেয়ারম্যান মশু ও তার লোকজন আমার ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে কথা বলার জন্য বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে যায়। এবং আমার কাছে পাঁচ লাখ টাকা চাঁদা দাবী করেন। চাঁদা না দিলে আমার ছেলের সাথে একই বাড়ির হেজু মিয়ার মেয়ে (তালাক প্রাপ্ত) জেসমিন বেগমের (২৭) সাথে বিয়ে দিবেন। অথবা থানায় নিয়ে পুলিশে দিবেন।

চাঁদা না পেয়ে চেয়ারম্যান আমার ছেলেকে থানায় নিয়ে পুলিশে দেয়। তিনি আরও বলেন, জেসমিন বেগম প্রথম স্বামী (মালদ্বীপ প্রবাসী) জামালের ঘরে থাকা অবস্থায় অনৈতিক কাজের কারণে তার প্রথম স্বামী তাকে তালাক দেয়। পরে জেসমিন তার এক খালাতো ভাইয়ের সাথে অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তুলে। এবং তার একটি সন্তান ও হয়।

যাকে পঞ্চাশ হাজার টাকার বিনিময়ে বিক্রি করে দেয়। পরে খালাতো ভাইয়ের সাথে অবৈধ সম্পর্কের বিষয়ে প্রথমে স্থানীয় ভাবে পরে থানায় একাধিক সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে দুই লাখ টাকার কাবিন নির্ধারণ করে তাদের বিয়ে হয়। কিছু দিন পর তার দ্বিতীয় স্বামী (খালাতো ভাই) কে ডিভোর্স দিয়ে কাবিনের টাকা আদায় করে। এখন আবার আমার সরল সোজা ছেলের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে জেসমিন ও স্থানীয় চেয়ারম্যান ও কুচক্রী মহল আমার ও ছেলে রুবেলের সম্মান হানী করার চেষ্টা করছে। আমি এর সুষ্ঠ তদন্ত করে সঠিক বিচারের দাবী করছি।

লাহার কান্দি ইউনিয়নের দফাদার আবুল বাশার বলেন, উত্তর চাঁদখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মাঠে চেয়ারম্যান জোর করে রুবেলের সাথে জেসমিনের বিয়ে দিতে চাইলে আমিসহ এলাকার লোকজন বাঁধা দেওয়ায় চেয়ারম্যান তা করতে পারে নি।

জেসমিনের চাচাতো ভাই রুহুল আমিন বলেন, জেসমিনের সাথে রুবেলের অবৈধ সম্পর্কের ফলে জেসমিন প্রায় ৭ মাসের অন্তঃসত্ত্বা। আমরা বিষয় টির সঠিক সমাধান চাই।

এ বিষয়ে জানতে ইউনিয়ন পরিষদ ও চেয়ারম্যানের ব্যাক্তিগত অফিসে গিয়ে এবং তার মোবাইল ফোনে একাধিক বার কল করেও চেয়ারম্যানের সাথে যোগাযোগ করা যায় নি।

জানতে চাইলে, সদর মডেল থানার (ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা) আজিজুর রহমান মিয়া বলেন, চেয়ারম্যান রুবেল ও জেসমিন নামের দুজনকে থানায় নিয়ে আসেন। দুজনের কথাই শুনেছি। জেসমিন নারী ও শিশু আইনে একটি অভিযোগ দিয়েছে। তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তবে চেয়ারম্যানের চাঁদা দাবীর বিষয় টি অবগত নই।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

FIRDAUS FASHIONS


FIRDAUS FASHIONS

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি