লক্ষ্মীপুরে স্বামীর যৌতুক মামলায় স্ত্রীর ১ বছর কারাদন্ড
লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি: স্ত্রী যৌতুক দাবী করায় ওয়াহেদ আলী নামের এক ব্যক্তি, তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক আইনে মামলা দায়ের করেন। ওই মামলায় স্ত্রীর বিরুদ্ধে এক বছরের সাজা ও দশ হাজার টাকা জরিমানার আদেশ দেয় বিচারিক আদালত।
গেল সোমবার (৩০ সেপ্টেম্বর) লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট বিচারিক আদালত-৩ এর বিচারক নুসরাত জামান এ আদেশ দেন। আজ সকালে বাদীর আইনজীবী এ্যাডভোকেট ফখরুল ইসলাম জুয়েল বিষয়টি বাংলাপ্রেসকে নিশ্চিত করেছেন।
জানাযায়, চার বছর আগে লক্ষ্মীপুর সদরের ভবানীগঞ্জ ইউপির আলীপুর গ্রামের সফি উল্যাহ ভূঁইয়ার কন্যা আয়েশা আক্তার মিতুর সাথে একই ইউপির ধর্মপুর গ্রামের সৈয়দ আহম্মদের পুত্র ওয়াহেদ আলীর বিবাহ হয়।
বিবাহের পর মিতু পড়তে ইচ্ছে কারায় তাকে লক্ষ্মীপুর সরকারি কলেজে ভর্তি করে দেয় স্বামী। এরপর থেকে মিতুর বেপরোয়া চলাফেরা দেখে স্বামী বাধা নিষেধ করলেও তা মানেনি মিতু। ২০১৮ সালের ৮ই মে ওয়াহেদ আলীর দেয়া স্বর্ণলংকার ও ঘরের নগদ টাকা নিয়ে মিতু স্বামীর অজান্তে তার বাড়ি থেকে পিতার বাড়ি চলে যায়।
এ ঘটনায় স্থানীয় শালিশ বৈঠক হয়। শালিশে স্ত্রী আয়েশা আক্তার মিতু স্বামীর কাছে নগদ ৫ লক্ষ টাকা ও তার নামে ১০ ডিসিমল জমি রেজিষ্ট্রি দাবী করে। উক্ত টাকা ও জমি না দিলে মিতু স্বামীর বাড়িতে আসবে না এবং ঘর সংসার করবে না বলে জানায়। এ ঘটনায় ওয়াহেদ আলী বাদি হয়ে ১৬ই মে ১৮ইং তারিখে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী অঞ্চল সদর লক্ষ্মীপুরে স্ত্রীর বিরুদ্ধে যৌতুক নিরোধ আইনের ৪ ধারায় মামলা দায়ের করে। যার সি আর মামলা নং ৪১৫/১৮ইং। দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে আদালত আয়েশা আক্তার মিতুকে দোষী সাব্যস্ত করে, “একবছর কারাদন্ড ও ১০হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরো ৩ মাসের কারাদন্ডের আদেশ দেন।”
ওয়াহেদ আলী বাংলাপ্রেসকে জানান, বিবাহের পর থেকে আমি এ স্ত্রী’র দ্বারা চরম ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছি। সে আমার নগদ টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যায়। আমার কাছে যৌতুক দাবী করে। আমি আদালতে তার বিরদ্ধে যৌতুকের মামলা করি। এ মামলা রায়ের মাধ্যমে আমি ন্যায় বিচার পেয়েছি বলে তিনি জানান।
বিপি/আর এল
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি