২ সেপ্টেম্বর ২০২৬

মেয়ের পড়ার খরচ জোগাতে খালি পায়ে দৌড়ে ম্যারাথনে প্রথম হলেন মা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১২:১৮ পিএম
মেয়ের পড়ার খরচ জোগাতে খালি পায়ে দৌড়ে ম্যারাথনে প্রথম হলেন মা


বাংলাপ্রেস ডেস্ক: প্রবল ইচ্ছাশক্তি আর সন্তানের ভবিষ্যতের প্রতি মায়ের অদম্য মমতার কাছে হেরে গেছে দারিদ্র্য ও শারীরিক প্রতিকূলতা। মেয়ের পড়াশোনার খরচ জোগাতে সাধারণ শাড়ি পরে ও খালি পায়ে ম্যারাথনে দৌড়ে তরুণ প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে প্রথম হয়েছেন ৪৭ বছর বয়সী এক মা। অবিশ্বাস্য এই ঘটনাটি ঘটিয়েছেন ভারতের মহারাষ্ট্রের বিড জেলার আম্বাজোগাই এলাকার বাসিন্দা রমাবাই রণবীর।


আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, ভারতীয় শিক্ষা প্রসারক সংস্থার খোলেশ্বর এডুকেশনাল কমপ্লেক্সের অমৃত মহোৎসব উপলক্ষে ‘অমৃত দৌড়’ নামে একটি ম্যারাথনের আয়োজন করা হয়। ছত্রপতি শিবাজি মহারাজ চৌক থেকে শুরু হয়ে ভাগ্যনগর চৌকে গিয়ে শেষ হওয়া এই প্রতিযোগিতায় স্থানীয় অসংখ্য তরুণ-তরুণী অংশ নেন।


প্রতিযোগিতার শুরুতেই সাধারণ শাড়ি ও পায়ে সামান্য চপ্পল পরে সবার সঙ্গে লাইনে দাঁড়িয়েছিলেন রমাবাই। তবে বাঁশি বাজার পর দৌড় শুরু করতেই অসমান রাস্তায় বারবার পা থেকে চপ্পল খুলে গিয়ে তার গতি কমে যাচ্ছিল। একমুহূর্ত সময় নষ্ট না করে চপ্পল জোড়া হাতে তুলে নিয়ে পাথর আর রুক্ষ রাস্তায় খালি পায়েই দৌড়াতে থাকেন তিনি। তীক্ষ্ণ পাথর ও শারীরিক ব্যথার তোয়াক্কা না করে সব তরুণ প্রতিযোগীদের পেছনে ফেলে সবার আগে ফিনিশিং লাইন স্পর্শ করেন এই অদম্য মা।

৪৭ বছর বয়সী রমাবাইয়ের এমন জয় দেখে উপস্থিত দর্শক ও আয়োজকরা আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। খালি পায়ে জয়ী হয়ে পুরস্কার হিসেবে পাওয়া ৩ হাজার রুপি সরাসরি মেয়ের পড়াশোনার খরচের জন্য তুলে দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। এই কারণেই তার জয় শুধু একটি ম্যারাথন জেতার ঘটনা নয়। মেয়ের শিক্ষার জন্য একজন মায়ের সংকল্প এবং লড়াইয়ের প্রতীক হয়ে উঠেছে এই দৌড়।


বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি