নাগরিকদের মেধা-যোগ্যতা অনুযায়ী বিচার করা হবে: তারেক রহমান
বক্তব্য রাখছেন তারেক রহমান।
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছেন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও দেশ পুনর্গঠনের জন্য দেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারী সমাজকে সঙ্গে নিয়ে এগোতে হবে। যারা নারীদের অবজ্ঞা করে এবং রাজনৈতিক স্বার্থে ধর্মের অপব্যাখ্যা দিয়ে মিথ্যাচার চালায়, তারা কোনোদিন জনদরদী হতে পারে না। বিএনপির লক্ষ্য একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ গড়ে তোলা, যেখানে মেধা ও যোগ্যতার ভিত্তিতে প্রত্যেক নাগরিকের মূল্যায়ন করা হবে।
সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে খুলনার খালিশপুরের প্রভাতী স্কুল মাঠ প্রাঙ্গণে জনসভায় তিনি এসব কথা বলেন। জনসভায় খুলনা, বাগেরহাট ও সাতক্ষীরা জেলা বিএনপির সব সংসদ সদস্য প্রার্থীরা উপস্থিত ছিলেন।
শিল্পনগরী নিয়ে প্রতিশ্রুতি দিয়ে তারেক রহমান বলেন, খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাটসহ এ বিশাল অঞ্চলে আজ বহু সমস্যা আছে। যেমন- খুলনা ছিল একসময় শিল্পনগরী; কিন্তু আমরা দেখছি গ্যাসসহ বিভিন্ন কারণে আজ প্রায় মৃত নগরীতে পরিণত হয়েছে। ইনশাআল্লাহ, আগামী ১৩ তারিখে সরকার গঠন করলে এ শিল্পনগরীকে আবার জীবিত শিল্প নগরীতে আমরা পরিণত করতে চাই। সেসব শিল্পের মধ্যে শুধু পুরুষরাই নয় নারীদেরও কর্মসংস্থান হবে।
জামায়াতের নারী অবমাননা ও আইডি হ্যাকের বিষয়ে সমালোচনা করে তিনি বলেন, একটি রাজনৈতিক দলের নেতা মা-বোনদের কর্মসংস্থান নিয়ে এমন কুরুচিপূর্ণ শব্দ ব্যবহার করেছেন, যা পুরো জাতির জন্য কলঙ্কজনক। আমাদের নবী কারীম (সা.)-এর স্ত্রী বিবি খাদিজা (রা.) নিজেই একজন সফল ব্যবসায়ী ছিলেন। অথচ তারা ইসলাম কায়েমের কথা বলে নারীদের ঘরে বন্দি করতে চায়।
তিনি যোগ করেন, সমালোচনার মুখে পড়ে তারা এখন বলছে ‘আইডি হ্যাক’ হয়েছে। এটি একটি ডাহা মিথ্যা কথা। বিশেষজ্ঞরা বলেছেন এভাবে আইডি হ্যাক হয় না। যারা নির্বাচনের আগে কোটি কোটি মানুষের সামনে এমন নির্লজ্জ মিথ্যাচার করতে পারে, তারা কখনই দেশের মানুষের বন্ধু হতে পারে না। এরা ক্ষমতার মোহে পড়ে মিথ্যা কথা বলে।
আগামী ১২ তারিখের নির্বাচন নিয়ে ষড়যন্ত্রের আভাস দিয়ে তারেক রহমান বলেন, আমরা খেয়াল করছি একটি মহল বলার চেষ্টা করছে, এবার ভোট গণনার ফলে অনেক সময় লাগবে। শুনেছেন এই কথা আপনারা? ষড়যন্ত্র কিন্তু আবার শুরু করেছে। যারা দেশের নারী সমাজকে হেয়প্রতিপন্ন করছে, তারাই আবার ষড়যন্ত্র শুরু করেছে বিভিন্নভাবে। ভোট শেষ না হওয়া পর্যন্ত প্রতিটি কেন্দ্রে সজাগ থাকতে হবে যেন গত এক যুগের অধিকার আর কেউ কেড়ে নিতে না পারে।
নগর বিএনপির সভাপতি শফিকুল আলম মনার সভাপতিত্বে ও শফিকুল আলম তুহিনের সঞ্চালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন- কেন্দ্রীয় বিএনপির তথ্য বিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৪ আসনের প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল, ছাত্রবিষয়ক সম্পাদক ও খুলনা-৩ আসনের প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল এবং সাবেক বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক ও খুলনা-২ আসনের প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জুসহ খুলনা, সাতক্ষীরা ও বাগেরহাট জেলার সব সংসদ সদস্য প্রার্থী ও কেন্দ্রীয় নেতারা।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি