নায়িকা দীঘির সঙ্গে ছবি তোলেননি তথ্যমন্ত্রী, জয় বললেন ‘দিন শেষ’
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বিনোদন জগতের জনপ্রিয় উপস্থাপক-অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয় বর্তমান প্রেক্ষাপটে সরকারের ঊর্ধ্বতন ব্যক্তিদের সঙ্গে চলচ্চিত্রাঙ্গনের গুণীজনদের একত্র করে এমন সফল আয়োজন করার জন্য চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতিকে অভিনন্দন জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে মিডিয়াব্যক্তিত্ব ফরিদুর রেজা সাগরকে চলচ্চিত্রের প্রধানতম অভিভাবক ও নেপথ্যের নায়ক হিসেবে আখ্যা দিয়ে তার অবদানের প্রশংসাও করেন তিনি। সেই সঙ্গে অভিনেত্রী দীঘির তথ্যমন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার দিন শেষ বলেও জানান এ অভিনেতা।
বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির আয়োজনে বিএফডিসিতে ‘ফিল্ম ডিরেক্টরস ডে’ অনুষ্ঠান করা হয়। সেই অনুষ্ঠান নিয়েই এমন কথা বলেন জয়।
একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা হয়। পোস্ট করা ভিডিওতে দেখা যায়, ছবি তোলার সময় উপস্থিত অভিনেত্রী প্রার্থনা ফারদিন দীঘিকে এড়িয়ে যান তথ্যমন্ত্রী আন্দালিভ রহমান পার্থ। সেই অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তিনি। তা দেখেই বেশ কিছু বার্তা দিলেন অভিনেতা শাহরিয়ার নাজিম জয়।
সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই ভিডিওতে দেখা গেছে, লাল শাড়ি পরা দীঘি ফ্যাশন ডিজাইনার গৌতমের সহায়তায় তথ্যমন্ত্রীর কাছে গিয়ে ছবি তোলার জন্য দাঁড়ান। তবে মন্ত্রী সৌজন্য বজায় রেখে হাসিমুখে আরেকটি কাজ রয়েছে বলে জানান। কুশলবিনিময় শেষ করে দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন তিনি। এ সময় দীঘির মুখেও খানিকটা বিব্রত ভাব ফুটে ওঠে। বিষয়টি নিয়ে নিজের পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেছেন জয়।
সামাজিক মাধ্যমে এক স্ট্যাটাসে শাহরিয়ার নাজিম জয় লিখেছেন, বহু মানুষ যেখানে দীঘির সঙ্গে ছবি তোলার জন্য ব্যাকুল থাকে, সেখানে তথ্যমন্ত্রীর মধ্যে ছবি তোলার বিষয়ে কোনো অতিরিক্ত উৎসাহ দেখা যায়নি।
এ অভিনেতা বলেন, মন্ত্রীর পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে ভবিষ্যতে বিপদে না পড়ার জন্য শিল্পীকে সহযোগিতা করলেন। শিল্পীদের বোঝা উচিত— কাজের বাইরে অকারণে মন্ত্রীদের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তোলার দিন শেষ।
তিনি বলেন, অতীতের দিনগুলোতে আমাদের সবার অভিজ্ঞতা খুবই ভয়াবহ। কাজটাই আমাদের মুখ্য উদ্দেশ্য। আর আমাদের ইন্ডাস্ট্রি স্বয়ংসম্পূর্ণ হলে এবং আমরা যার যার প্রতিভা বিকাশে সফল হলে মন্ত্রীরা নিজেরাই এসে আমাদের সঙ্গে ছবি তুলবেন।
এ ঘটনা থেকে স্পষ্ট বার্তা পাওয়ার কথা উল্লেখ করে জয় বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী সময়ে সরকারের কয়েকজন শীর্ষ মন্ত্রী ও উপদেষ্টার চলচ্চিত্রে উপস্থিতি পুরো ইন্ডাস্ট্রির জন্য একটি সুবার্তা। দ্বিতীয়ত অকারণে কাজের বাইরে মন্ত্রীদের পাশে দাঁড়িয়ে ছবি তুলে ভবিষ্যতে যেন শিল্পীদের বিপদে পড়তে না হয়, মন্ত্রী সে বিষয়ে পরোক্ষ সহযোগিতা করেছেন।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি