নিউ ইয়র্কে নিজ মেয়েকে ধর্ষণের দায়ে এক ব্যক্তির ২৫ বছরের কারাদণ্ড
এক ব্যক্তিকে নিজ মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের দায়ে ২৫ বছরের কারাদণ্ড
নোমান সাবিত: নিউ ইয়র্কের কুইন্স ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি মেলিন্ডা কাটজ জানান, কুইন্স ভিলেজের ৬০ বছর বয়সী এক ব্যক্তিকে নিজ মেয়েকে দীর্ঘদিন ধরে যৌন নির্যাতন ও ধর্ষণের দায়ে ২৫ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। স্কুলের ছুটিতে মেয়ের সঙ্গে দেখা করার সময় তিনি প্রথম যৌন নির্যাতন শুরু করেন। পরে মেয়েটির আইনগত অভিভাবক হওয়ার পর নির্যাতনের মাত্রা আরও বেড়ে যায়।
ডিস্ট্রিক্ট অ্যাটর্নি কাটজ বলেন, একজন অভিভাবকের সবচেয়ে মৌলিক দায়িত্ব হলো সন্তানকে নিরাপদ রাখা। কিন্তু এই আসামি নিজের ছোট মেয়ের ওপর নির্যাতন চালিয়ে সেই দায়িত্বের চরম লঙ্ঘন করেছেন। সাহস করে ভুক্তভোগী মুখ খোলার কারণেই আজ আসামিকে তার নিন্দনীয় কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহির আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে।
গত মাসে ছয় দিনব্যাপী বিচার শেষে জুরি আসামিকে প্রথম ডিগ্রির ধর্ষণ, প্রথম ডিগ্রির শিশুর বিরুদ্ধে ধারাবাহিক যৌন নির্যাতন এবং প্রথম ডিগ্রির ইনসেস্টের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করে। গত ২৯ জুনের রায়ের পর কুইন্স সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ইরা মারগুলিস ২৯ জুলাই তাকে ২৫ বছরের কারাদণ্ড এবং মুক্তির পর ২০ বছরের তত্ত্বাবধানের সাজা দেন। কারামুক্তির পর তাকে যৌন অপরাধী হিসেবে নিবন্ধন করতে হবে।
অভিযোগ ও আদালতে উপস্থাপিত সাক্ষ্য অনুযায়ী, ২০২১ সালের মে মাসের দিকে আসামির মেয়ে স্কুলের গ্রীষ্মকালীন ছুটিসহ বিভিন্ন ছুটিতে অন্য অঙ্গরাজ্য থেকে বাবার কাছে আসতে শুরু করে। ২০২২ সালের জানুয়ারিতে আসামি তখন ১০ বছর বয়সী মেয়েকে নিজের শোবার ঘরে ডেকে নিয়ে ধর্ষণ করেন। এরপর বাবার হেফাজতে থাকার সময় প্রায় কয়েক মাস পরপর যৌন নির্যাতন চলতে থাকে।
২০২৩ সালের জুলাইয়ে আসামি তার ১১ বছর বয়সী মেয়ের প্রধান অভিভাবক হন এবং মেয়েটি তার সঙ্গে বসবাস শুরু করে। এরপর তিনি নিয়মিতভাবে, কখনো কখনো সপ্তাহে একাধিকবার, মেয়েটিকে ধর্ষণ করেন বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
২০২৪ সালের মে মাসে ভুক্তভোগী এক পরিবারের সদস্যের কাছে নির্যাতনের কথা জানায়। পরে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।
* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।
বিপি/এসএম
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
যুক্তরাষ্ট্রে ভয়াবহ দাবানল, ৬০ হাজার মানুষকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
সঙ্গীত একাডেমি