৪ আগস্ট ২০২৬

অবশেষে ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ১২:৩৭ পিএম
অবশেষে ২৬ দিনের অনশন ভাঙলেন সোনম ওয়াংচুক

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দীর্ঘ ২৬ দিন অনশনের পর অবশেষে তা ভেঙেছেন ভারতের জলবায়ু, পরিবেশ ও সামাজিক আন্দোলনকর্মী সোনাম ওয়াংচুক। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় রাত ১টার দিকে অনশন তরল খাবার খেয়েছেন তিনি।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এক্সে সোনামের অনশনভঙ্গের ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে। ভিডিওতে শয্যাশায়ী সোনামের পাশে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী জে পি নাড্ডা এবং জীতেন্দ্র সিংকে দেখা গেছে। সোনামের স্ত্রী গীতাঞ্জলী আংমোও ছিলেন তার পাশে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি তাদের সাইটে ভিডিওটি শেয়ার করেছে।

সমন্বিত মেডিকেল কলেজ ভর্তি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের প্রতিবাদে তরুণ-তরুণীদের রাজনৈতিক মঞ্চ ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলন কর্মসূচিকে সমর্থন করে গত ২৮ জুন রাজধানী নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর এলাকায় অনশনে বসেছিলেন সোনাম।

ভিডিওতে সোনাম বলেছেন, “আমি অনশন ভাঙতে পেরে খুবই কৃতজ্ঞ, ধন্যবাদ। গীতাঞ্জলি সবসময় আমার পাশে ছিলো। তাকে ধন্যবাদ জানাতে চাই না, আমি শুধু আমার অনুভূতি প্রকাশ করছি।”

“পাশাপাশি, আমি আপনাদের সবার প্রতি সহিংসতার প্রতি খুব সতর্ক থাকার আহ্বান জানাব। কোথাও যেন কোনো প্রকার সহিংসতা না হয়।”

অনশন শুরুর পর ২০ তম দিন অর্থাৎ শুক্রবার পর্যন্ত নয়াদিল্লির যন্তর মন্তর এলাকাতেই ছিলেন সোনাম। ২১ তম দিন শনিবার ভোরের দিকে তাকে সেখান থেকে তুলে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করে দিল্লি পুলিশ। এই ঘটনায় নালিশ জানিয়ে সোনামের স্ত্রী গীতাঞ্জলী দিল্লি হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন। পরে আদালতের নির্দেশে তাকে নয়াদিল্লির মেদান্ত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

নিটের প্রশ্নফাঁসের জন্য সিজেপি এবং সোনাম ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করেছিলেন। ধর্মেন্দ্র প্রধান এখনও পদত্যাগ করেননি, তবে বৃহস্পতিবার কেন্দ্রীয় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব বিনীত যোশীকে শিক্ষামন্ত্রণালয় থেকে সরিয়ে পঞ্চায়েত বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে বদলি করা হয়েছে। এই পদক্ষেপের পরেই অনশন ভেঙেছেন তিনি।

মেদান্ত হাসপাতালের চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, গত ২৬ দিনের অনশনে সোনামের ওজন ১১ কেজি কমেছে। সূত্র : এনডিটিভি

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি