৩ এপ্রিল ২০২৬

প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রে যাবেন না ঐক্যফ্রন্ট

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৮ পিএম
প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রে যাবেন না ঐক্যফ্রন্ট

রাজনীতি ডেস্ক: গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর চা-চক্রের দাওয়াতে যাচ্ছেন না জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনসহ স্টিয়ারিং কমিটির নেতারা। প্রধানমন্ত্রীর চায়ের দাওয়াতে না যাওয়ার বিষয়টি লিখিতভাবে জানানোর জন্য গণভবনে চিঠি নিয়ে যাবেন জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের মিডিয়া প্রধান লতিফুল বারী হামিম ও দফতর সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু।শুক্রবার (০১ ফেব্রুয়ারি) বেলা ১১টায় চিঠি নিয়ে গণভবনে যাবেন ঐক্যফ্রন্টের নেতারা।জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু বলেন, বৃহস্পতিবার জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে ঐক্যফ্রন্টের নির্বাচিত ৮ জন সংসদ সদস্য শপথ নেবেন না। একই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রী দাওয়াত কার্ডের মাধ্যমে স্টিয়াংরিং কমিটির নেতাদের গণভবনে চা-চক্রের যে দাওয়াত দিয়েছেন সেখানে না যাওয়ারও সিদ্ধান্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, ঐক্যফ্রন্টের এই সিদ্ধান্ত প্রধানমন্ত্রীকে লিখিতভাবে জানানোর জন্য শুক্রবার ১১টায় গণভবনে ড. কামাল হোসেনের চিঠি পৌঁছে দিতে যাবো। আমার সঙ্গে লতিফুল বারী হামিম, জাহাঙ্গীর আলম প্রধান ও আজমেরী বেগম চন্দ্রাও যাবেন।চিঠিতে কী লেখা আছে জানতে চাইলে জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু বলেন, ১১টার পরে বিস্তারিত জানতে পারবেন। তবে সংক্ষেপে বলা যায় ড. কামাল হোসেন প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, আমরা ৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছি। এটি ছিল একটি প্রহসনের নির্বাচন। আমাদের ঐক্যফ্রন্টের হাজার হাজার নেতাকর্মী কারাগারে, লাখ লাখ নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে মামলা। এ অবস্থায় আপনার চায়ের দাওয়াতে গণভবনে যাওয়া সম্ভব নয়।

একাদশ সংসদ নির্বাচনের আগে সংলাপে অংশ নেওয়া ৭৫টি দলের সাথে শুভেচ্ছাবিনিময় করতে গত ২৬ জানুয়ারি এসব দলের নেতাদের চা চক্রের আমন্ত্রণ জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। ২ ফেব্রুয়ারি বেলা ৩টায় গণভবনে এ অনুষ্ঠান হবে।গণভবনে চা-চক্রে যোগ দেওয়ার জন্য ড. কামাল হোসেনসহ স্টিয়ারিং কমিটির সব নেতাদের নামে আলাদা আলাদা দাওয়াত কার্ড পাঠানো হয় গণভবন থেকে। কার্ডগুলো গণভবনের কর্মচারীরা আরামবাগ গণফোরামের কার্যালয়ে পৌছে দেন।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি