রাজশাহীতে আমির হামজার মাহফিলের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: রাজশাহীর গোদাগাড়ীতে জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মুফতি আমির হামজার তাফসির মাহফিলের অনুমতি দেয়নি প্রশাসন। আগামিকাল সোমবার বিকাল থেকে গোদাগাড়ী মহিলা কলেজ মাঠে এই তাফসির মাহফিল আয়োজনের কথা ছিল।আজ রোববার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন আয়োজক সংগঠন মানব কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ইসমাইল হক।
স্থানীয় ও আয়োজক কমিটি সূত্রে জানা গেছে, মানব কল্যাণ পরিষদ নামের একটি সংগঠনের উদ্যোগে তাফসিরুল কুরআন মাহফিল অনুষ্ঠানের উদ্যোগ নেওয়া হয় গোদাগাড়ী মহিলা কলেজ মাঠে। রেলবাজার দারুস সুন্নাহ ইসলামিয়া হাফিজিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবু মুহাম্মদ বজলুর রহমান মাদানীর সভাপতিত্বে এই তাফসির মাহফিলে প্রধান অতিথি হিসেবে নাম ঘোষণা করা হয় রাজশাহী-১ (গোদাগাড়ী-তানোর) আসনের সংসদ সদস্য ও জামায়াতে ইসলামির কেন্দ্রীয় নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমানের। এছাড়া স্থানীয় জামায়াত নেতা ওবাইদুল্লাহকেও মাহফিলে অতিথি করা হয়। মাহফিলে প্রধান আলোচক হিসেবে ব্যানার পোস্টারে নাম আসে মুফতি আমির হামজার। তিনি গোদাগাড়ীর মাহফিলে উপস্থিত থাকতে সম্মতিও দিয়েছিলেন।
আয়োজকরা জানান, প্রশাসনের অনুমতির জন্য গত মঙ্গলবার গোদাগাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বরাবর আবেদন করা হয়। সেই আলোকে গতকাল শনিবার সকালে আয়োজকরা অনুমতি নিতে ইউএনওর কাছে যান। কিন্তু পুলিশের প্রতিবেদন না আসায় অনুমতি দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন ইউএনও। তিনি আয়োজকদের জানান পুলিশি প্রতিবেদন ছাড়া অনুমতি দিতে পারবে না উপজেলা প্রশাসন।
আয়োজক সংগঠন মানব কল্যাণ পরিষদের সভাপতি ইসমাইল হক বলেন,‘গতকাল সকালে ইউএনওর সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি আমাদের জানান মাহফিলের নিরাপত্তা সংক্রান্ত প্রতিবেদনের জন্য পুলিশকে অনুরোধ করা হয়েছে। পুলিশ প্রতিবেদন না এলে তিনি অনুমতি দিতে পারবেন না। এমন পরিস্থিতিতে আমরা ধরেই নিয়েছি আমাদের মাহফিলের অনুমতি দিবে না প্রশাসন। শেষ পর্যন্ত অতিথিদের আমরা ফোন করে ক্ষমা চেয়েছি। প্যান্ডেল গুটিয়ে ফেলেছি।’
এ বিষয়ে ইউএনও ইসরাত জাহান জানান, ‘পুলিশ ক্লিয়ারেন্স ছাড়া যেখানে অনেক মানুষের সমাগম হয় এই ধরনের সমাবেশের অনুমতি দেওয়ার নিয়ম নেই। আমরা পুলিশ প্রতিবেদনের জন্য লিখেছি। প্রতিবেদন না আসা পর্যন্ত কিছু বলা সম্ভব নয়।’
অন্যদিকে মুফতি আমির হামজার তাফসির মাহফিলের বিষয়ে পুলিশের অবস্থান সম্পর্কে জানতে চাইলে রাজশাহীর পুলিশ সুপার (এসপি) মো. মামুন অর রশিদ বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। যদি উপজেলা বা জেলা প্রশাসন থেকে পুলিশের কাছে কোনো প্রতিবেদন চাওয়া হয়ে থাকে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
মাঝ আকাশে দরজা খুলে গেল এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের, ঢাকায় নেমে রোগীর মৃত্যু
সংসদ সদস্যদের মনোনীত প্রকল্পে ৩২৯ কোটি টাকা বরাদ্দ দিল স্থানীয় সরকার বিভাগ
সঙ্গীত একাডেমি