২ নভেম্বর ২০২৬

রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে সরানোর দাবি লেবার পার্টির

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ০৬:২০ এএম
রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে সরানোর দাবি লেবার পার্টির

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনায় প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদমর্যাদায় নিয়োগপ্রাপ্ত রাশেদ খাঁনকে অবিলম্বে দায়িত্ব থেকে অপসারণের দাবি জানিয়েছেন বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. মোস্তাফিজুর রহমান ইরান। 

তিনি বলেন, পত্রিকা প্রকাশ্যে ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও ভিন্নমত প্রকাশের অধিকারের প্রতি চরম অবজ্ঞা এবং সরকারের সমালোচনামূলক সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে ক্ষুব্ধ মানসিকতার বহিঃপ্রকাশ।

রোববার (১ নভেম্বর) এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ লেবার পার্টির চেয়ারম্যান ডা. ইরান বলেন, রাশেদ খাঁনের দৈনিক আমার দেশ পত্রিকা ছিঁড়ে ফেলার ঘটনা কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। দেশজুড়ে ক্ষমতাসীন দলের এমপি-মন্ত্রী ও নেতাকর্মীদের দখলবাজি, চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, দুর্নীতি ও লুটপাটের অভিযোগ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের বিরুদ্ধে গণমাধ্যমের ওপর ক্ষুব্ধ মানসিকতার নগ্ন বহিঃপ্রকাশ এটি। এই ঘটনার রাজনৈতিক দায় প্রধানমন্ত্রী এড়াতে পারেন না।

তিনি অভিযোগ করেন, প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্রয় পেয়ে রাশেদ খাঁন বারবার অযাচিত বক্তব্য ও বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়ছেন। সংশ্লিষ্টদের নিয়ন্ত্রণ ও জবাবদিহি নিশ্চিত করার পরিবর্তে তাদের কর্মকাণ্ডকে প্রশ্রয় দেওয়া হলে তা গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য বিপজ্জনক দৃষ্টান্ত তৈরি করে।     

ডা. ইরান বলেন, দৈনিক আমার দেশ নিছক একটি সংবাদপত্র নয়, আধিপত্যবাদ ও ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দেশপ্রেমিক, মজলুম ও স্বাধীনতাকামী মানুষের কণ্ঠস্বর হিসেবে পত্রিকাটির স্বতন্ত্র পরিচিতি রয়েছে। কোনো সংবাদপত্রের বক্তব্যে দ্বিমত থাকলে তার জবাব দিতে হবে যুক্তি, তথ্য ও প্রমাণ দিয়ে, পত্রিকা ছিঁড়ে নয়।

তিনি আরও বলেন, রাশেদ খাঁনকে প্রধানমন্ত্রীর সচিব পদ থেকে অবিলম্বে অপসারণ করে প্রধানমন্ত্রীকে প্রমাণ করতে হবে যে তিনি চাটুকার, তেলবাজ ও গণমাধ্যমের স্বাধীনতাবিরোধীদের আশ্রয়-প্রশ্রয়দাতা নন, বরং স্বাধীন সাংবাদিকতা ও গণতান্ত্রিক মূল্যবোধে বিশ্বাসী।
বিপি > এসপি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি