
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিরণগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অনুপ্রবেশ করে গাছের ডাল কেটে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা প্রতিরোধে এগিয়ে আসলে বিএসএফ ও ভারতীয়দের হামলায় বাংলাদেশের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় বিজিবির কড়া প্রতিবাদের মুখে দুঃখ প্রকাশ করেছে বিএসএফ।
এ ঘটনায় শনিবার বিকেল ৪টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিষয়টিকে ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে বলেছে বিএসএফ।
৫৯ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া বলেন, বাংলাদেশ সীমান্তের মধ্যে গাছ কাটাকে কেন্দ্র করে দুই দেশের সীমান্তবর্তী এলাকাবাসীর মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সৃষ্টি হয়। পরে বিজিবির তাৎক্ষণিক পদক্ষেপে ভারতীয়রা পিছু হটে এবং বিকেল ৪টার দিকে বিজিবি ও বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। পতাকা বৈঠকে গাছ কাটার বিষয়টিকে কেন্দ্র করে ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ ও ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখতে বলেছে বিএসএফ।
বর্তমানে পরিস্থিতির স্বাভাবিক রয়েছে বলে জানান তিনি।
শনিবার (১৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টার দিকে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এরপর সীমান্তের উভয় পাশে অতিরিক্ত বিজিবি-বিএসএফ মোতায়েন করা হয়।
স্থানীয়রা জানান, দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে হঠাৎ করে বিএসএফ ও শতাধিক ভারতীয় মিলে ভারতীয় সীমান্ত এলাকায় অনুপ্রবেশ করে এবং বাংলাদেশ প্রান্তের ১২ থেকে ১৫টি আম গাছ কেটে ফেলে। পরে বিজিবির টহল দল মাইকিং করে স্থানীয়দের সহযোগিতার আহ্বান জানান। এ সময় স্থানীয়রা বিজিবিকে সহযোগিতা করতে সীমান্ত এলাকায় ছুটে আসেন। দুই পাশে উত্তেজনা দেখা দেয়।
তারা আরও জানান, এসময় বিএসএফ সদস্যরা ৪টি সাউন্ড গ্রেনেড ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে। স্থানীয় ভারতীয়রা পাথর ছুড়ে মারে। এতে বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি আহত হয়েছেন। পরে ভারতীয়রা কাটা গাছ ও ডালপালা ফেলে পালিয়ে যায়।
খবর পেয়ে বিজিবি গিয়ে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে বিএসএফের সঙ্গে যোগাযোগ শুরু করে। পরে বিজিবি-বিএসএফ এর মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিজিবির কড়া প্রতিবাদের মুখে বিএসএফ পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছে।
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]