২৪ জুলাই ২০২৬

শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে লাখ টাকার কাছাকাছি পিজ্জা পাঠালেন ভারতীয় যুবক

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৪ জুলাই ২০২৬, ০১:৪০ পিএম
শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়িয়ে লাখ টাকার কাছাকাছি পিজ্জা পাঠালেন ভারতীয় যুবক

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জন্য পিজ্জা পাঠিয়েছেন এক যুবক। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  ভারতের দিল্লির যন্তর মন্তরে নিট প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন অব্যাহত রয়েছে।  শিক্ষার্থীদের এ আন্দোলনে সংহতি জানিয়ে পাশে দাঁড়াচ্ছেন সেলিব্রেটি থেকে শুরু করে সাধারণ জনগন—সবাই।  এরইমধ্যে দুই হাজার কিলোমিটারেরও বেশি দূরে থাকা নাগাল্যান্ডের এক যুবকের মানবিক উদ্যোগ সবার নজর কেড়েছে।

নাগাল্যান্ডের বাসিন্দা জা-লহৌ অনলাইনে ডমিনোজ থেকে ১৫০টি ‘চিজ বার্স্ট’ পিজ্জা অর্ডার করে সরাসরি আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে পৌঁছে দেন। এ জন্য তার মোট খরচ হয় ৬৭ হাজার ৭৩৪ টাকা ১৮ রুপি ( বাংলাদেশি মুদ্রায় ৯৫ হাজার টাকা)। 

এক ইন্সটাগ্রাম পোস্টে জা-লহৌ জানান, গত ২২ জুলাই বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে তিনি অর্ডারটি করেন। সাধারণ পিজ্জার বদলে তিনি অতিরিক্ত চিজসহ ‘কোরিয়ান সুইট চিলি চিজ বার্স্ট’ এবং ‘ফার্মহাউস চিজ বার্স্ট’ পিজ্জা বেছে নেন।

এই বিশাল খাদ্য সরবরাহের ছবি ও বিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। অনেকেই এটিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের প্রতি সংহতির অনন্য প্রকাশ হিসেবে প্রশংসা করেন।

জা-লহৌ তার পোস্টে লিখেছেন,‘আমি নাগাল্যান্ডে বসে আছি, আর হাজারো শিক্ষার্থী যন্তর মন্তরে নিজেদের ভবিষ্যৎ ও একটি ন্যায্য শিক্ষা ব্যবস্থার দাবিতে আন্দোলন করছে। আমি তাদের পাশে সরাসরি থাকতে পারিনি। তাই এটুকুই আমার পক্ষ থেকে করার চেষ্টা।’

তিনি আরও জানান, খাবার পৌঁছে দেওয়ার সময় ডমিনোজের ডেলিভারি কর্মী যখন জানতে চান কার হাতে অর্ডারটি তুলে দেবেন, তখন তিনি বলেন, ‘যে এখনো কিছু খায়নি, তার হাতেই দিয়ে দিন।’

জা-লহৌ স্পষ্ট করে জানান, এই ঘটনা তিনি প্রশংসা পাওয়ার জন্য প্রকাশ করেননি। বরং তার আশা, এটি দেখে অন্যরাও নিজেদের সামর্থ্য অনুযায়ী মানুষের পাশে দাঁড়াতে উৎসাহিত হবেন। 

পরে ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের জন্য তিনি আরও প্রায় ৫ হাজার টাকার বিস্কুটও পাঠিয়েছেন। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট


সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি