১৭ জুলাই ২০২৬

সোনমকেই শিক্ষামন্ত্রী বানানো উচিত, কেজরিওয়ালের মত

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৭ জুলাই ২০২৬, ০২:০১ পিএম
সোনমকেই শিক্ষামন্ত্রী বানানো উচিত, কেজরিওয়ালের মত

দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশনরত সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছেন অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  ভারতের আম আদমি পার্টির (আপ) জাতীয় আহ্বায়ক ও দিল্লির সাবেক মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুককে শিক্ষামন্ত্রী করার দাবি জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) দিল্লির যন্তর মন্তরে অনশনরত সোনম ওয়াংচুকের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে তিনি এ দাবি জানান।  খবর এনডিটিভির

জাতীয় বিভিন্ন পরীক্ষায়, বিশেষ করে নিট মেডিকেল ভর্তি পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের প্রতিবাদে ওয়াংচুক সেখানে অনশন করছেন।

সামাজিক যোগযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) হিন্দিতে দেওয়া এক পোস্টে কেজরিওয়াল লেখেন, ‘ধর্মেন্দ্র প্রধানকে সরিয়ে সোনম ওয়াংচুককে দেশের শিক্ষামন্ত্রী করা উচিত।’

অনশনস্থলে গিয়ে কেজরিওয়াল বলেন, প্রতি বছরই বিভিন্ন পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হচ্ছে, আর এর সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী হচ্ছে দেশের তরুণ-তরুণীরা।

তিনি বলেন, ‘সরকারের উচিত শিক্ষার্থী এবং সোনম ওয়াংচুকের কথা শোনা। পরীক্ষা ব্যবস্থায় স্বচ্ছতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা ফিরিয়ে আনা জরুরি।’

কেজরিওয়াল জানান, যন্তর মন্তরে আসার পর তার ২০১১ সালের দুর্নীতিবিরোধী আন্দোলনের কথা মনে পড়ে যায়। সে সময় তিনি সমাজকর্মী আন্না হাজারের সঙ্গে একই স্থানে আন্দোলন করেছিলেন।

তিনি বলেন, ‘২০১১ সালের ৪ এপ্রিলের কথা আজ মনে পড়ছে। তিন বছর পর সেই সরকার ক্ষমতা হারিয়েছিল, কারণ তারা মানুষের কথা শোনেনি এবং অহংকার জবাবদিহিতাকে ছাপিয়ে গিয়েছিল।’

২৫ দিনের বেশি ধরে আন্দোলন

সোনম ওয়াংচুক গত ২৮ জুন থেকে অনশন শুরু করেন। এটি ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) নেতৃত্বে চলা বৃহত্তর আন্দোলনের অংশ। সংগঠনটি ২৫ দিনেরও বেশি সময় ধরে যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ করছে এবং শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ দাবি করছে।

আগামী ২০ জুলাই, সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিনে তারা ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছে।

ওয়াংচুকের শারীরিক অবস্থা সংকটাপন্ন

অনশনের ১৯তম দিনে সোনম ওয়াংচুকের ওজন ৯ কেজির বেশি কমে গেছে। তার চিকিৎসায় নিয়োজিত চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, তার শারীরিক অবস্থা এখন সংকটাপন্ন।

সর্বশেষ পরীক্ষায় তার রক্তে শর্করার মাত্রা ছিল ৮০ মিলিগ্রাম/ডেসিলিটার, হৃদস্পন্দন মিনিটে ৭২ বার এবং রক্তচাপ ছিল শোয়া অবস্থায় ১০৫/৬১*ও বসা অবস্থায় ১০১/৬৫। শরীরে কিটোনের মাত্রা কিছুটা কমলেও ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা এখনও বেশি, যা পেশি ক্ষয়ের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

অনশন ভাঙতে অস্বীকৃতি

বুধবার রাতে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় ওয়াংচুক জানান, তিনি এখনই অনশন ভাঙবেন না। চিকিৎসা পরীক্ষায় আপাতত বড় কোনো ঝুঁকি দেখা যায়নি বলেও তিনি দাবি করেন।

তিনি সমর্থকদের অনুরোধ করেন, তাকে অনশন ভাঙার আহ্বান না জানিয়ে ২০ জুলাইয়ের ‘চলো সংসদ’ কর্মসূচি সফল করতে কাজ করার জন্য। সূত্র: যুগান্তর
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি