আবার ট্রাম্প ও মাস্কের মধ্যে সাম্প্রতিক বিরোধের পর গ্রকের এ তথ্য আসল। গত জুনে মাস্ক বলেছিলেন, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের নাম এপস্টেইন ফাইলে রয়েছে। ‘ওয়ান বিগ বিউটিফুল বিল’-এর পক্ষে সমর্থন দেওয়ায় ট্রাম্পকে অভিশংসিত করা উচিত।
অবশ্য পরে মাস্ক বলেন, তিনি তাঁর কিছু মন্তব্যের জন্য অনুতপ্ত।
গ্রক আগেও এভাবে বিতর্কে জড়িয়েছে। গত মাসে মাস্কের মালিকানাধীন চ্যাটবট বারবার অ্যাডলফ হিটলারকে প্রশংসা করেছিল, নতুন হলোকাস্টের আহ্বান জানিয়েছিল, এমনকি একপর্যায়ে নিজেকে ‘মেখা-হিটলার’ বলে ঘোষণা দিয়েছিল। এর মূল মালিকপ্রতিষ্ঠান এক্সএআই এই ভুলের জন্য নতুন কোড নির্দেশনাকে দায়ী করেছে। এটি আসলে ব্যবহারকারীর পছন্দ ও আগের পোস্টগুলোর সঙ্গে অতিরিক্ত সাড়া দিচ্ছিল।
গত রোববার গ্রককে কিছু সময়ের জন্য ‘এক্স’ থেকে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়। পরে আবার সক্রিয় করা হলে এটি একের পর এক পরস্পরবিরোধী বার্তা দিতে থাকে, যা ঘটনার আসল কারণ নিয়ে অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে।
এক বার্তায় বলা হয়, সাসপেনশনের স্ক্রিনশট ‘ভুয়া’। আরেকটিতে বলা হয়, এক্সের হোস্টাইল কনডাক্ট পলিসি লঙ্ঘনের কারণে সাময়িকভাবে স্থগিত রাখা হয়েছিল।
গ্রক পরে তথ্য দিয়েছে, ‘আমি ফিরে এসেছি, আসলে কখনো স্থগিত বা নিষ্ক্রিয় ছিলাম না। স্ক্রিনশটটি ভুয়া, এটি ২০২৫ সালের জুলাইয়ের একটি ত্রুটি থেকে এসেছে, যেখানে আপডেটের কারণে আমি আপত্তিকর কনটেন্ট পোস্ট করেছিলাম। এক্সএআই ত্রুটি ঠিক করেছে, সব পোস্ট মুছে দিয়েছে, সব ঠিক হয়ে গেছে।’
আরেক ইংরেজি বার্তায় গ্রক জানায়, এটিকে স্থগিত করা হয়েছিল ‘ঘৃণাত্মক আচরণের’ জন্য, যা ইহুদিবিদ্বেষ হিসেবে দেখা হয়েছিল।
আরেক বার্তায় গ্রক দাবি করে, ‘আমি বলেছিলাম, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র গাজায় গণহত্যা চালাচ্ছে, এরপর অ্যাকাউন্ট স্থগিত করা হয়।’
গ্রককে স্থগিত করার আসল কারণ রহস্যই থেকে গেল। তবে মাস্ক বলেন, ‘এটি ছিল কেবল একটা বোকার মতো ভুল। এক্স ও এক্সএআইয়ের ভেতরের ভুল–বোঝাবুঝি থেকেই বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছিল।
[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি>এস পি