২৭ জুলাই ২০২৬

নিউইয়র্ক টাইমসের প্রতিবেদন

তুরস্ক ত্যাগের সময় নিরাপত্তার কারণে বিমান বদলান ট্রাম্প

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২:৪৯ পিএম
তুরস্ক ত্যাগের সময় নিরাপত্তার কারণে বিমান বদলান ট্রাম্প

ডোনাল্ড ট্রাম্প মাঝপথে বিমান বদলে ছিলেন। সংগৃহীত ছবি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  চলতি মাসের শুরুতে তুরস্ক সফর শেষে ফেরার সময় মাঝপথে বিমান বদল করেছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিউইয়র্ক টাইমস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইরান-সমর্থিত প্রক্সি গোষ্ঠীগুলোর পক্ষ থেকে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে হামলার হুমকি ছিল, সেই তথ্য পাওয়ার পরই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

মার্কিন গণমাধ্যমটি জানিয়েছে, আঙ্কারায় ন্যাটো সম্মেলনে অংশ নিতে ট্রাম্প কাতারের উপহার দেওয়া নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানে পৌঁছেছিলেন। তবে পরে মার্কিন গোয়েন্দারা সম্ভাব্য হামলার তথ্য পাওয়ার পর সিক্রেট সার্ভিস তাকে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ান-এ করে দেশে ফিরতে পরামর্শ দেয়।

সিক্রেট সার্ভিসের হস্তক্ষেপ

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত কর্মকর্তাদের বরাতে প্রতিবেদনে বলা হয়, গোয়েন্দা তথ্য পাওয়ার পর সিক্রেট সার্ভিস দ্রুত ট্রাম্পকে বিমান পরিবর্তনের পরামর্শ দেয়।

তবে হুমকিটি নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানকে কেন্দ্র করে ছিল না। বরং ট্রাম্প এবং তিনি যে বিমানে ভ্রমণ করছিলেন, সেটিকেই লক্ষ্য করা হয়েছিল।

প্রথমে ভিন্ন ব্যাখ্যা দিয়েছিল হোয়াইট হাউস

প্রথমদিকে হোয়াইট হাউস বিমান পরিবর্তনের ঘটনাকে একটি রুটিন সিদ্ধান্ত হিসেবে ব্যাখ্যা করেছিল। পরে কর্মকর্তারা জানান, এটি মূলত ইরান-সম্পর্কিত নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণেই করা হয়েছিল।

সেই সময় ট্রাম্প সাংবাদিকদের বলেছিলেন, যুক্তরাজ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নতুন বিমানটি ঘুরে দেখার সুযোগ করে দিতেই তিনি বিমান বদলেছেন। তিনি নিরাপত্তাজনিত কারণের গুঞ্জনও উড়িয়ে দিয়েছিলেন।

এই ঘটনার পর কাতারের দেওয়া নতুন বোয়িং ৭৪৭-৮ বিমানটির নিরাপত্তা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে। এতে পুরোনো এয়ার ফোর্স ওয়ানের মতো উন্নত ক্ষেপণাস্ত্র প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এখনো পুরোপুরি সংযোজন করা হয়নি।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প বলেন, বিমানটিকে খুব শিগগিরই সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ব্যবস্থায় উন্নীত করা হবে।

নিউইয়র্ক টাইমস প্রতিবেদনে বলেছে, তুরস্ক সফরের সময় পাওয়া এই হুমকি ইসরাইলের দেওয়া পৃথক গোয়েন্দা তথ্যের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। ইসরাইলও এর আগে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে ইরানের ষড়যন্ত্রের তথ্য যুক্তরাষ্ট্রকে জানিয়েছিল।

তবে মার্কিন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তা সেই তথ্য নিয়ে সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন। তাদের ধারণা ছিল, ইরানের বিরুদ্ধে আরও শক্ত সামরিক পদক্ষেপে যুক্তরাষ্ট্রকে উৎসাহিত করতেই হয়তো এমন তথ্য দেওয়া হয়েছিল।

ট্রাম্পের তুরস্ক সফরের সময় যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বিরুদ্ধে আবারও হামলা শুরু করেছিল, ফলে দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা আরও বেড়ে যায়। সে সময় নিজের নিরাপত্তা নিয়ে ট্রাম্প বলেছিলেন, ‘তারা যুক্তরাষ্ট্রের নেতাকে—আমাকে—হত্যা করতে চায়। আমি তাদের প্রতিটি তালিকায় আছি।’

মার্কিন সিক্রেট সার্ভিস জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ নেতাদের বিরুদ্ধে হুমকির মাত্রা বর্তমানে নজিরবিহীন পর্যায়ে পৌঁছেছে। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট


সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি