৪ এপ্রিল ২০২৬

যে কারণে পাক মিডিয়ায় আমির খান 'খুনি'

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৩৯ পিএম
যে কারণে পাক মিডিয়ায় আমির খান 'খুনি'

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: “খুনি আমির খান!” সম্প্রতি পাকিস্তানের এক সংবাদমাধ্যম চ্যানেলে এমনটাই সম্প্রচারিত হল। শুধু তাই নয়, ওই চ্যানেলে আমিরের ছবিও দেওয়া হল। আসলে নামেই বেঁধেছে গণ্ডগোল! এক খুনির খবর করতে গিয়ে বলিউড অভিনেতা আমির খানের মুখ বসিয়ে ছবি সম্প্রচার করে দিল সেই পাকিস্তানী নিউজ চ্যানেল। পরে চ্যানেলে কর্তৃপক্ষের চোখে সেই ভুল ধরা পড়লেও ততক্ষণে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলের ছড়াছড়ি।

এই ভয়ংকর ভুল চোখে পড়ে খ্যতনামা সাংবাদিক নায়লা ইনায়াতের টুইটে! ঠিক কী হয়েছিল? আসলে বিভ্রান্তির সৃষ্টি হয় ‘আমির খান’ নামেই। পাকিস্তানে যিনি খুনে অভিযুক্ত, তাঁর নামও আমির খান। তিনি আদতে এমকিউএম নেতা- আমির খান। দীর্ঘ ১৭ বছর পর খুনের অভিযোগ থেকে অব্যাহতি পাওয়ায়, ওই পাকিস্তানি নেতাকে নিয়ে খবর করছিল নিউজ চ্যানেলটি। কিন্তু গ্র্যাফিক্স প্লেটটি যিনি বানিয়েছেন, সেই অনভিজ্ঞ সাংবাদিক হয়তো আসল এমকিউএম নেতাকে চিনতেন না, উপরন্তু বলিউড অভিনেতা আমির খানকেও চিনতেন না। তাই নেটে ছবি সার্চ করে খুনে অভিযুক্ত নেতার জায়গায় ভারতীয় অভিনেতা আমির খানের মুখ বসিয়ে দেন। ব্যস! পাকিস্তানের জনসাধারণের চোখে সেই ভুল ধরা পড়তেই নেটদুনিয়ায় শুরু হয় ট্রোল। তার আগে অবশ্য সেই সাংঘাতিক ভুল চ্যানেলের কারও চোখেই পড়েনি! পরে অবশ্য চ্যানেল কর্তৃপক্ষের নজরে এলে তড়ঘড়ি ছবি বদলে দেন তাঁরা। তবে তাতে কী, ততক্ষণে যা ভাইরাল হওয়ায় হয়েই গিয়েছে!

সেই চ্যানেলে সম্প্রচারের একটি ছবি তুলে টুইটারে পোস্ট করেন সাংবাদিক নায়লা ইনায়াত। নায়লা সংশ্লিষ্ট পাকিস্তানি নিউজ চ্যানেলটিকে খানিক ব্যঙ্গ করেই লেখেন, “খবরের শিরোনাম- ১৭ বছর পর খুনের অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন এমকিউএম নেতা আমির খান।” সঙ্গে আমির খানের ছবি দেখে ক্ষুব্ধ সাংবাদিক বলেন, “জানতামই না যে আমির খান বিগত ১৭ বছর ধরে পাকিস্তানেই রয়েছেন!” ওই টুইট ভারতীয়দের নজরে আসতেই ব্যাপক শোরগোল শুরু হয়। প্রিয় অভিনেতাকে ‘খুনি’ আখ্যা দিয়ে সম্প্রচার করায় বেজায় ক্ষুব্ধ আমির অনুরাগীরাও।

বিপি/আর এল

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি