যেখানে দেখা মেলে প্রকৃতির বিরল সৌন্দর্য ‘চন্দ্রধনু’
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: সূর্যের আলোয় রংধনু আমরা অনেকেই দেখেছি। কিন্তু চাঁদের আলোয় রংধনু? এটি শুনলেই চমকে উঠতে হয়। অথচ প্রকৃতি এমন বিরল সৌন্দর্যও উপহার দেয়।
এই দৃশ্য দেখার সেরা জায়গাগুলোর একটি হলো জিম্বাবুয়ে ও জাম্বিয়ার সীমান্তে অবস্থিত ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত। এখানেই সম্প্রতি সারাহ স্টিজার চাঁদের আলোয় তৈরি ‘মুনবো’ বা চন্দ্রধনু দেখতে পান এবং ক্যামেরাবন্দী করেন। আর সেই অভিজ্ঞতার কথাই তুলে ধরেন সংবাদমাধ্যম বিবিসিকে।
সারাহ জানান, সেখানে কোনো ফ্লাডলাইট জ্বলছিল না। শুধু উঠতি পূর্ণিমার চাঁদের নরম আলো আর চারপাশের গাঢ় নীল-কালো অন্ধকার। ১০০ মিটারেরও বেশি নিচে গিরিখাতে প্রচণ্ড শব্দে আছড়ে পড়ছিল পানি। সেই পানির ঝাপটা উঁচুতে উঠে বিশাল জলকণার স্তম্ভ তৈরি করছিল।
হঠাৎ করেই সেই জলকণার মধ্যে একটি ম্লান বক্ররেখা ফুটে উঠল। প্রথমে খেয়াল করা কঠিন, কিন্তু ধীরে ধীরে স্পষ্ট হয়ে উঠল এক অপূর্ব, কোমল আলোর বন্ধনী। অন্ধকারের বুক চিরে ঝুলে থাকা সেই চন্দ্রধনু দেখে মুগ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন সারাহ।
ভিক্টোরিয়া জলপ্রপাত পৃথিবীর সবচেয়ে বড় জলপ্রপাতগুলোর মধ্যে একটি। স্থানীয়রা একে ডাকে ‘মোসি-ওয়া-তুনিয়া’, অর্থাৎ ‘বজ্রের শব্দ তুলে ধোঁয়া ওঠা’।
প্রতি বছর প্রায় দশ লাখ পর্যটক এখানে আসেন, কিন্তু বেশিরভাগই দিনের বেলায়।তবে পূর্ণিমার রাতে এই জলপ্রপাতের চেহারা পুরোপুরি বদলে যায়। চাঁদের আলোয় জলকণার মধ্যে তৈরি হয় এই বিরল চন্দ্রধনু এক অবিস্মরণীয় প্রাকৃতিক অভিজ্ঞতা।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
ব্রিটিশ সরকারের আরেক মন্ত্রীর পদত্যাগ, আরও চাপে কিয়ার স্টারমার
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি