৫ আগস্ট ২০২৬

যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৫ আগস্ট ২০২৬, ১২:৪৪ পিএম
যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উদযাপন

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: আজ ৫ আগস্ট ২০২৬। যথাযোগ্য মর্যাদায় পালিত হচ্ছে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’। এ উপলক্ষে জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

এক তথ্য বিবরণীতে জানানো হয়, দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী বাণী প্রদান করেছেন। এদিন দেশের ৬৪ জেলায় জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে সংবাদপত্রসমূহে বিশেষ নিবন্ধ-সাহিত্য-সাময়িকী ও ক্রোড়পত্র প্রকাশ করা হবে। এর আগে, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত এক আন্ত:মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ সকাল ৯টায় ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর’ উদ্বোধন করবেন।

সকাল ১১টায় বাংলাদেশ চীন-মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে জুলাই শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীরবিক্রম।

এর আগে, ৩০ জুলাই তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে তথ্য ভবনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান বিষয়ক প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন, আলোকচিত্র প্রদর্শনী ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

দেশের সকল জেলায় জুলাই শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে বলে বিবরণীতে বলা হয়েছে।

ঢাকাসহ সকল সিটি কর্পোরেশনের মিনিপোলগুলোতে জুলাই আন্দোলনের ওপর বস্তুনিষ্ঠ ও নৈর্ব্যক্তিক দুর্লভ আলোকচিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন করা হবে। এছাড়া, দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বাংলাদেশ বেতারসহ বিভিন্ন বেসরকারি বেতার ও টিভি চ্যানেলে এফএম ও কমিউনিটি রেডিওতে জুলাই গণঅভ্যুত্থান সম্পর্কিত আলোচনা অনুষ্ঠান আয়োজনসহ বিশেষ অনুষ্ঠানমালা প্রচার করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে আলোচনা সভার আয়োজন করা হবে এবং রচনা, আবৃত্তি ও চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হবে। এছাড়া, বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসসমূহ দিবসটি উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করবে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলো একই দিনে বাদ জোহর বা সুবিধাজনক সময়ে সারা দেশে বিশেষ মোনাজাত বা প্রার্থনার আয়োজন করবে।

ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন শহরের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন পতাকায় সাজানো হবে। জুলাই স্মৃতিস্তম্ভসমূহে আলোকসজ্জা করা হবে। দিবসটি উপলক্ষে স্মারক ডাকটিকিট প্রকাশ করা হবে।

দিনটিতে সরকারি ও বেসরকারি সংস্থার স্বায়ত্তশাসিত জাদুঘরসমূহ সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত বিনা টিকিটে জনসাধারণের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি বিনোদনমূলক স্থান শিশুদের জন্য সকাল-সন্ধ্যা উন্মুক্ত রাখা এবং বিনা টিকিটে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হবে।

দিবসটি উপলক্ষে দেশের সকল সরকারি হাসপাতাল, কারাগার, সরকারি শিশু পরিবার, শিশু পুনর্বাসন কেন্দ্র, প্রতিবন্ধী কল্যাণ কেন্দ্র, ডে কেয়ার ও শিশু বিকাশ কেন্দ্র এবং ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে প্রীতিভোজের আয়োজন করা হবে।
বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি