১৫ বছর পর ফিরছে ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’ ২
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ২০১১ সালে মুক্তি পেয়েছিল জোয়া আখতার পরিচালিত সিনেমা ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’। তিন বন্ধু অর্জুন, কবির ও ইমরানের বন্ধুত্ব, জীবনের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেওয়া কিছু অভিজ্ঞতা এবং নিজেদের নতুন করে আবিষ্কারের গল্পে সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছিল দর্শকের হৃদয়ে।
বক্স অফিসেও পেয়েছিল দারুণ সাফল্য।
মুক্তির এক দশকেরও বেশি সময় পরও সিনেমাটির জনপ্রিয়তা কমেনি। বরং সময়ের সঙ্গে এর আবেদন আরো বেড়েছে। দীর্ঘদিন ধরেই তাই ভক্তদের মধ্যে প্রশ্ন—কবে আসবে এই সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তি?
এবার সেই অপেক্ষায় আশার আলো দেখালেন নির্মাতা জোয়া আখতার নিজেই।
জানালেন, ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা ২’-এর গল্প নিয়ে কাজ করছেন তারা।
মনসুন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে গিয়ে হলিউড রিপোর্টারকে জোয়া বলেন, ‘আমরা গল্পটি নিয়ে কাজ করছি। যদিও আমরা ঠিক জানি না, কী হবে; ওই চরিত্রগুলোকে এই সময়ের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে কিছু করতে পারলে তো দারুণ হবে।’
প্রথম সিনেমায় তিন বন্ধুর চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন হৃত্বিক রোশন, ফারহান আখতার ও অভয় দেওল।তাদের বন্ধুত্ব ও স্পেন ভ্রমণের নানা অভিজ্ঞতা ঘিরে এগিয়েছিল সিনেমার গল্প। তিন অভিনেতার অভিনয়ও দর্শকের কাছে পেয়েছিল ব্যাপক প্রশংসা।
গত বছর দীর্ঘদিন পর একটি বিজ্ঞাপনচিত্রে একসঙ্গে দেখা যায় হৃত্বিক, ফারহান ও অভয়কে। তিন বন্ধুকে ফের একসঙ্গে দেখে উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠেন ভক্তরা। অনেকেই ধরে নিয়েছিলেন, সেটিই হয়তো ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা ২’-এর প্রথম ঝলক।
পরে অবশ্য জানা যায়, সেটি সিনেমার অংশ নয়। এমনকি ওই বিজ্ঞাপনকে ঘিরে দর্শকদের প্রত্যাশা তৈরি হওয়ায় নির্মাতা জোয়ার কাছেও অনেক নেতিবাচক বার্তা পৌঁছেছিল বলে জানা গেছে।
তবে এবার আর শুধুই গুঞ্জন নয়। জোয়ার নিজের বক্তব্যেই স্পষ্ট হয়েছে, বহু প্রতীক্ষিত সিক্যুয়ালের গল্প নিয়ে কাজ চলছে। যদিও কবে সিনেমাটির শুটিং শুরু হবে বা মুক্তির তারিখ কবে—এ বিষয়ে এখনো কিছু জানানো হয়নি।
তাই আপাতত ভক্তদের অপেক্ষা করতে হচ্ছে আরও কিছুটা সময়। তবে তিন বন্ধুর সেই প্রিয় গল্প নতুন সময়ের প্রেক্ষাপটে কীভাবে ফিরবে, তা নিয়ে এখন থেকেই কৌতূহল তৈরি হয়েছে।
উল্লেখ্য, ‘জিন্দেগি না মিলেগি দোবারা’য় হৃত্বিক রোশন, ফারহান আখতার ও অভয় দেওলের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন ক্যাটরিনা কাইফ, কাল্কি কোয়েচলিন, নাসিরুদ্দিন শাহসহ আরো অনেকে।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
আমরা ভবিষ্যতে কেমন বাংলাদেশ সোসাইটি দেখতে চাই!
সঙ্গীত একাডেমি