৩ এপ্রিল ২০২৬

২২ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:২৫ এএম
২২ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

 

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বগুড়ার আদমদীঘিতে নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ার প্রায় ২২ ঘণ্টা পর উত্তরাঞ্চলের সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) দুপুর ১২টায় চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী যাত্রীবাহী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন দুর্ঘটনা কবলিত এলাকা দিয়ে চলাচল শুরুর মধ্য দিয়ে এই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।


এরআগে বুধবার (১৮ মার্চ) দুপুর আড়াইটার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটি অভিমুখী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সান্তাহারের বাগবাড়ী এলাকায় লাইনচ্যুত হয়।  

ট্রেন লাইনচ্যুত হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে ৯ জোড়া ট্রেন আটকা পড়েছিল। এতে সারা দেশের সঙ্গে নীলফামারী, দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড় ও জয়পুরহাটের রেল যোগাযোগ বন্ধ ছিল।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চল সূত্রে জানা গেছে, দুর্ঘটনার কারণে আটকে পড়া ট্রেনগুলো হচ্ছে- পঞ্চগড় ও ঢাকার মধ্যে চলাচলকারী তিন জোড়া ট্রেন, নীলফামারী ও খুলনার মধ্যে চলাচলকারী দুই জোড়া, নীলফামারী ও খুলনার মধ্যে চলাচলকারী দুই জোড়া এবং রাজশাহী ও নীলফামারীর মধ্যে চলাচলকারী বরেন্দ্র ও তিতুমীর এক্সপ্রেসের দুই জোড়া ট্রেন।


এসব ট্রেন আটকা পড়ার কারণে বিপুল পরিমাণ ঘরমুখী যাত্রী শান্তাহার জংশনের অদূরে বাগবাড়ি এলাকার দুই পাশে আটকা পড়েন। এই যাত্রীদের বিকল্প উপায়ে প্রায় তিন কিলোমিটার পথ অন্য যানবাহনের মাধ্যমে এপার–ওপার করে ট্রেনে তুলে দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


এ ঘটনায় মহাপরিচালকের কার্যালয় থেকে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটিতে মেকানিক্যাল, ইঞ্জিনিয়ারিং, সিগন্যাল ও অপারেটিং বিভাগের প্রধানদের রাখা হয়েছে। তাঁরা তিন কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

বাংলাদেশ রেলওয়ে পশ্চিমাঞ্চলের মহাব্যবস্থাপক ফরিদ আহমেদ বলেন, হিউম্যান ফেইলিয়র বা দায়িত্বহীনতার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। এখন একজনের দায় আরেকজনের ওপরে চাপানো হচ্ছে। তদন্ত প্রতিবেদন পেলে দুর্ঘটনার আসল কারণ জানা যাবে। সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফরিদ আহমেদ জানান, গতকাল দুর্ঘটনার পর থেকে রেলওয়ের কর্মকর্তারা উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী থেকে একটি রিলিফ ট্রেন এবং পার্বতীপুর থেকে আরেকটি রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সারারাত উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বগিগুলোকে লাইন থেকে অপসারণ করে ৬টি বগি রেললাইনের পাশে রাখা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রথমে চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ১২টায় যাত্রীসহ ঘটনাস্থল দিয়ে যাত্রা শুরু করে। এখন লাইন নির্মাণ কাজ মোটামুটি স্বাভাবিক। তবে এই স্থানটিতে ট্রেনগুলো ধীর গতিতে চলাচল করছে। সেই সঙ্গে আমাদের নির্মাণ কাজ চলমান রয়েছে।

তিনি বলেন, আজ সকাল সাড়ে ১০টার দিকেই তাঁদের লাইন ফিট হয়ে গেছে। ছয়টি বগি গ্রাউন্ডেড করা হয়েছে। সেগুলো মেরামত করা ছাড়া লাইনে তোলা সম্ভব হয়নি।

বিপি/কেজে

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি