৪ এপ্রিল ২০২৬

আশ্রয়প্রার্থীদের স্থগিত আবেদন আবার চালু করল যুক্তরাষ্ট্র

গার্ড সদস্যদের ওপর হামলার পর

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ৩০ মার্চ ২০২৬, ০১:০০ পিএম
আশ্রয়প্রার্থীদের স্থগিত আবেদন আবার চালু করল যুক্তরাষ্ট্র

আশ্রয়প্রার্থীদের স্থগিত থাকা আবেদন প্রক্রিয়া আবার চালু

নোমান সাবিত: ট্রাম্প প্রশাসন যুক্তরাষ্ট্রে আশ্রয়প্রার্থীদের জন্য স্থগিত থাকা কিছু আবেদন প্রক্রিয়া আবার চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর আগে, লাখ লাখ মানুষের অভিবাসনসংক্রান্ত কাগজপত্র প্রায় পুরোপুরি স্থগিত রাখা হয়েছিল।
মার্কিন নাগরিকত্ব এবং অভিবাসন পরিষেবা জানিয়েছে, যেসব দেশের নাগরিকদের তুলনামূলকভাবে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, তাদের আশ্রয় আবেদন পুনরায় নিষ্পত্তির প্রক্রিয়া শুরু করা হয়েছে। স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তা বিভাগ-এর এক মুখপাত্র জানান, যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ করতে ইচ্ছুক বিদেশিদের জন্য সর্বোচ্চ পর্যায়ের যাচাই-বাছাই অব্যাহত থাকবে।
এই সিদ্ধান্ত তাদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যেসব দেশ ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞা বা অন্যান্য সীমাবদ্ধতার আওতায় নেই। নীতিমালার বিস্তারিত প্রকাশের আগেই বিষয়টি জানাতে এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এই পদক্ষেপটি একটি পূর্ববর্তী স্থগিতাদেশের অবসান ঘটিয়েছে, যা আরোপ করা হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে মানবিক প্যারোলে থাকা এক আফগান নাগরিকের গুলিতে দুই ন্যাশনাল গার্ড সদস্য আহত হওয়ার পর।
তবে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভ্রমণ নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত ৩৯টি দেশের নাগরিকদের আশ্রয় আবেদন এখনো স্থগিত রয়েছে। এই তালিকায় সেনেগাল, সোমালিয়া, নাইজেরিয়া, আফগানিস্তান, লাওস, কিউবা, হাইতিসহ আরও অনেক দেশ রয়েছে।
নভেম্বরে হোয়াইট হাউসের কাছে এক ন্যাশনাল গার্ড সদস্য নিহত এবং আরেকজন আহত হওয়ার পর আশ্রয় আবেদন কার্যক্রম বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। ওই হামলার সঙ্গে জড়িত ব্যক্তি রহমানুল্লাহ লাকানওয়াল, যিনি ২০২১ সালে আফগানিস্তান থেকে যুক্তরাষ্ট্রে মানবিক প্যারোলে এসেছিলেন।
এই ঘটনার পর ট্রাম্প অভিবাসনবিরোধী বক্তব্য আরও জোরদার করেন এবং 'তৃতীয় বিশ্বের সব দেশ' থেকে অভিবাসন স্থগিত, সাবেক প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আমলে অনুমোদিত 'অবৈধ প্রবেশ' বন্ধ এবং অ-নাগরিকদের জন্য ফেডারেল সুবিধা বন্ধের প্রতিশ্রুতি দেন।
এছাড়া, ট্রাম্প প্রশাসন আশ্রয়প্রার্থীদের কর্মসংস্থানের সুযোগও সীমিত করেছে এবং আবেদনকারীদের পুনরায় যাচাই-বাছাইয়ের সুযোগ বাড়িয়েছে।
একই সময়ে, অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা ও বর্ডার প্যাট্রোল সদস্যদের মিনিয়াপোলিসসহ বিভিন্ন শহরে মোতায়েন করা হয়। তাদের কঠোর অভিযানের কৌশল এবং দুই মার্কিন নাগরিকের মৃত্যুকে ঘিরে দেশজুড়ে প্রায় দুই মাসব্যাপী ব্যাপক বিক্ষোভ দেখা দেয়।
শেষ পর্যন্ত সীমান্ত নীতিতে ভোটারদের অসন্তোষ বাড়তে থাকায় হোয়াইট হাউস কিছু পদক্ষেপ থেকে সরে আসে।

* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।

বিপি/এসএম

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি