বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দাম কমেছে
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: তেলের দাম বৃদ্ধি এবং ফেডের পরবর্তী মুদ্রানীতি সম্পর্কে ধারণা পেতে মুখিয়ে বিনিয়োগকারীরা। তারা আপাতত যুক্তরাষ্ট্রের প্রকাশিতব্য মূল্যস্ফীতির তথ্যের অপেক্ষায় রয়েছেন। এতে করে মূল্যবান ধাতুর বাজারে তাদের সতর্ক পদচারণা দেখা গেছে। এসবের ফলে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দাম কিছুটা কমেছে।
বুধবার (১৪ অক্টোবর) বাংলাদেশ সময় বিকেল ৫টা ২১ মিনিটে স্পট মার্কেটে স্বর্ণের দাম ০ দশমিক ৪ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৪০ দশমিক ৩৩ ডলারে দাঁড়িয়েছে। আর ডিসেম্বরে সরবরাহের জন্য মার্কিন গোল্ড ফিউচারসের দাম ০ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ১৬২ দশমিক ৮০ ডলারে নেমে এসেছে।
ফরেক্স ডট কমের বাজার বিশ্লেষক ফাওয়াদ রাজাকজাদা বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘দিনের শেষের দিকে প্রকাশ হতে যাওয়া মূল্যস্ফীতির তথ্যে অপেক্ষায় বেশিরভাগ ব্যবসায়ীই মূলত নিষ্ক্রিয় বসে আছেন। এর ফলে মার্কিন ডলার, স্বর্ণের দাম এবং ডলারের ওপর নির্ভরশীল অন্য সবকিছুর গতিপ্রকৃতিতে প্রভাব পড়ছে।’
রাজাকজাদা আরও যোগ করেছেন, ‘একবার মার্কিন ডলারের দর ঊর্ধ্বমুখী হয়ে শীর্ষ সীমায় পৌঁছানোর খুব কাছাকাছি চলে এলে ঠিক তখনই স্বর্ণের বাজার ফের চাঙা হবে। আমার ধারণা, বছরের শেষের দিকে এই ধাতুর দাম আবারও ৪ হাজার ৫০০ থেকে ৪ হাজার ৭০০ ডলারের কাছাকাছি উঠতে পারে।’
স্বর্ণ সাধারণত মূল্যস্ফীতির বিরুদ্ধে সুরক্ষাকবচ হিসেবে বিবেচিত হলেও উচ্চ সুদের হার সুদবিহীন এই মূল্যবান ধাতুর আকর্ষণ কমিয়ে দেয়।
অন্যান্য ধাতুর মধ্যে রুপার দাম ১ দশমিক ৫ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৫৮ দশমিক ৫৭ ডলার এবং প্ল্যাটিনামের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ১ হাজার ৬৫৩ দশমিক ১৮ ডলারে দাঁড়িয়েছে। বিপরীতে প্যালাডিয়ামের দাম ০ দশমিক ৬ শতাংশ বেড়ে প্রতি আউন্স ১ হাজার ১৩২ দশমিক ৭০ ডলারে পৌঁছেছে।
এদিকে দেশের বাজারে এখন ভ্যাটসহ প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম পড়ছে ২ লাখ ২৮ হাজার ৩১ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৭ হাজার ৭৬৭ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৭ হাজার ৩২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৫২ হাজার ৭৯৮ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
বিপি/টিআই
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি