১৪ অক্টোবর ২০২৬

নৌপরিবহন মন্ত্রীর সাথে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১১ এএম
নৌপরিবহন মন্ত্রীর সাথে থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: নৌপরিবহন, সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি-এর সাথে বাংলাদেশে নিযুক্ত থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত Mrs. Thitiporn Chirasawadi বুধবার (১৪ অক্টোবর) সকালে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।

সাক্ষাৎকালে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক জোরদার, সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন খাতে সহযোগিতা সম্প্রসারণ এবং বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বৃদ্ধির বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ চালুর সম্ভাবনা বিশেষ গুরুত্ব পায়। এ সময় চট্টগ্রাম বন্দর ও থাইল্যান্ডের রানং বন্দরের (Ranong Port) মধ্যে সরাসরি সমুদ্রপথে যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার বিষয়ে আলোচনা করা হয়। থাইল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত বলেন, চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের (Ranong Port) মধ্যে সংযোগ স্থাপন বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক বাণিজ্য নেটওয়ার্কে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচন করবে। এর ফলে দুই দেশের মধ্যে পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসবে। পাশাপাশি বাণিজ্য সম্প্রসারণ, যোগাযোগ বৃদ্ধি এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতা জোরদার হবে।

রাষ্ট্রদূত আরও উল্লেখ করেন, এ ধরনের উদ্যোগ শুধু বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য সম্প্রসারণের পাশাপাশি বঙ্গোপসাগরকেন্দ্রিক আঞ্চলিক যোগাযোগ ও বাণিজ্যিক সংযোগ বৃদ্ধিতেও গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে। এর মাধ্যমে উভয় দেশের ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন সুযোগ সৃষ্টি হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম এমপি বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার উদ্যোগকে স্বাগত জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রা ত্বরান্বিত করতে সমুদ্রবন্দর ও নৌপরিবহন খাতের আধুনিকায়ন এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যিক যোগাযোগ সম্প্রসারণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা ও কার্যকারিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কমানো এবং দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যকে আরও গতিশীল করার ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশ বন্ধুপ্রতিম দেশগুলোর সঙ্গে পারস্পরিক সহযোগিতা, অভিজ্ঞতা বিনিময় এবং কার্যকর অংশীদারত্বের মাধ্যমে নৌপরিবহন খাতের উন্নয়নে কাজ করতে আগ্রহী। চট্টগ্রাম ও রানং বন্দরের (Ranong Port) মধ্যে সরাসরি সামুদ্রিক যোগাযোগ প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে আলোচনা ও প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের বিষয়ে তিনি সহযোগিতার আশ্বাস দেন।

সাক্ষাৎকালে উভয় পক্ষ বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে বন্দর উন্নয়ন, সামুদ্রিক যোগাযোগ, বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট অন্যান্য ক্ষেত্রে সহযোগিতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন। এ সময় নৌপরিবহন সচিব জাকারিয়াসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি