৩১ অক্টোবর ২০২৬

বলিউডে অন্যের সাফল্যে কেউ খুশি হয় না: মনোজ বাজপেয়ি

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ৩০ অক্টোবর ২০২৬, ১২:১১ পিএম
বলিউডে অন্যের সাফল্যে কেউ খুশি হয় না: মনোজ বাজপেয়ি

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বলিউডকে বাইরে থেকে চাকচিক্যে ভরা জগতের মতো লাগে। অনেকে আবার একে একটি পরিবারও বলে মনে করেন। কিন্তু সেই ধারণার সঙ্গে একমত নন বলিউড অভিনেতা মনোজ বাজপেয়ি। কারণ চলচ্চিত্র জগতের মানুষের মধ্যে সৌজন্য ও আন্তরিকতার অভাব রয়েছে বলে মনে করেন তিনি। 

মনোজ বাজপেয়ি বলেন, অন্যের ছবি ভালো লাগলেও প্রশংসা জানাতে ফোন করার অভ্যাস নেই বললেই চলে। হিন্দি ছবির জগতে পারস্পরিক সহযোগিতা নেই। বাস্তবে কোনো পরিবারসুলভ ব্যাপারই নেই বলিউডে। সম্প্রতি ‘গজব রাত’ সিনেমার প্রচারে এসে বলিউডের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে এমনই খোলামেলা মন্তব্য করেন মনোজ বাজপেয়ি।

দীর্ঘদিন ধরে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করলেও নিজেকে এর অংশ মনে করে উঠতে পারেননি বলে জানান এ অভিনেতা।  তিনি বলেন, সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা হলো— বলিউড একটা পরিবার। আদতে তা নয়। এখানে কোনো  অভিনেতাই অন্য অভিনেতার সাফল্যে খুশি হন না। 

মনোজ বাজপেয়ি বলেন, ‘কোনো পরিচালক নিজেকে অন্য পরিচালকের চেয়ে কম মনে করেন না। একটি প্রযোজনা সংস্থাও অন্য সংস্থার বেশি আয় দেখে আনন্দ হয় না।’ তিনি বলেন, এখানে কেউ কারও ভালো দেখতে পারে না।

চলচ্চিত্রজগতের মানুষের মধ্যে সৌজন্য ও আন্তরিকতার অভাব নিয়েও সরব মনোজ বাজপেয়ি। তিনি বলেন, ‘অন্যের ছবি ভালো লাগলেও প্রশংসা জানাতে ফোন করার অভ্যাস প্রায় নেই বললেই চলে।  এই ইন্ডাস্ট্রিতে আসলে কোনো ভ্রাতৃত্বই নেই। পারস্পরিক সম্পর্কের ধারণাটা এখানে পুরোপুরি ভুল। তাই বলিউডকে পরিবার বা ভ্রাতৃত্বের জায়গা হিসাবে দেখার ধারণা ছেড়ে দেওয়াই ভালো।’ 

মনোজের মতে, কর্মজীবনে প্রত্যেককে নিজের লড়াই নিজেকেই লড়তে হয়। অন্য কেউ সাহায্য করবেন, এই আশায় বসে থাকলে চলবে না। অভিনেতা বলেন, ‘আপনি একা এসেছেন, আর চলে যাওয়ার সময়ও একাই যাবেন। নিজের কাজ করুন, নিজের পারিশ্রমিক বুঝে নিন, তারপর বাড়ি ফিরে যান। কেউ সাহায্য করতে এগিয়ে এলে সেটাকে বাড়তি পাওনা হিসাবেই দেখুন।’ 

বলিউডের কাজের পরিবেশ নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন মনোজ বাজপেয়ি। তিনি বলেন,  ‘ছবির সেটে প্রত্যেকের সঙ্গে সমান ব্যবহার করা উচিত। খাবারের ক্ষেত্রেও অভিনেতা ও কলাকুশলীদের মধ্যে কোনো ভেদাভেদ থাকা উচিত নয়। আরও একটি বিষয়ে আক্ষেপ করে মনোজ বলেছেন, ‘আগে অভিনেতারা একসঙ্গে বসে গল্প করতেন, সময় পেলে শুটিংয়ের পরেও আড্ডা দিতেন। এখন শুটিং শেষ হলেই সবাই নিজেদের সাজঘরে চলে যান। সেখানে বসে সামাজিক মাধ্যমে সময় কাটান।’ 
বিপি > এসপি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি