ছুটির দিনেও ঢাকার বাতাস ‘অস্বাস্থ্যকর’
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ধুলো, ধোঁয়া ও ক্ষতিকর কণার উপস্থিতি মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর প্রভাব ফেলছে। সেই সঙ্গে পৃথিবীতে প্রতিনিয়ত জলবায়ু পরিবর্তন ও বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কাজ চলায় বিশ্বের বিভিন্ন শহরে বায়ুদূষণের মাত্রা দিন দিন বাড়ছেই।
এমন অবস্থায় ২০৫ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণের শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুর। বাতাসের এই মান নাগরিকদের জন্য ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়।
অন্যদিকে শুক্রবার ছুটির দিনেও বায়ুমান স্কোর ১৬৫ নিয়ে তালিকার ৪ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। বাতাসের এই মানকেও ধরা হয় ‘অস্বাস্থ্যকর’।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বায়ুর মান পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্সের (আইকিউএয়ার) সূচক থেকে এ তথ্য জানা গেছে।
আইকিউএয়ারের এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স অনুযায়ী, দূষিত শহরের তালিকায় ২০৫ স্কোর নিয়ে শীর্ষে রয়েছে মালয়েশিয়ার রাজধানী কুয়ালালামপুর। এ ছাড়া ১৯০ স্কোর নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে মালয়েশিয়ার আরেক শহর কুচিং, ১৮১ স্কোর নিয়ে তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে পাকিস্তানের লাহোর, ১৬৫ স্কোর নিয়ে তালিকার ৪ নম্বরে রয়েছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা এবং পঞ্চম অবস্থানে থাকা ইন্দোনেশিয়ার জাকার্তার স্কোর ১৫৭।
আইকিউএয়ারের মানদণ্ড অনুযায়ী, স্কোর শূন্য থেকে ৫০-এর মধ্যে থাকলে বায়ুর মান ‘অনেক ভালো’ বলে বিবেচিত হয়।
৫১ থেকে ১০০ হলে ‘মাঝারি বা সহনীয়’ ধরা হয় বায়ুর মান। আর ১০১ থেকে ১৫০ স্কোর ‘সংবেদনশীল গোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। অন্যদিকে ১৫১ থেকে ২০০ পর্যন্ত ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচিত হয়। স্কোর ২০১ থেকে ৩০০ হলে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ বলে বিবেচনা করা হয়। এ ছাড়া স্কোর ৩০১-এর বেশি হলে তা ‘দুর্যোগপূর্ণ’ বলে বিবেচিত হয়।
বাংলাদেশে একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের ৫টি বৈশিষ্ট্যের ওপর ভিত্তি করে। সেগুলো হলো—বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ ও ওজোন (ও৩)।
২০১৯ সালের মার্চ মাসে পরিবেশ অধিদপ্তর ও বিশ্বব্যাংকের একটি প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়, ঢাকার বায়ুদূষণের তিনটি প্রধান উৎস হলো, ইটভাটা, যানবাহনের ধোঁয়া ও নির্মাণ সাইটের ধুলা।
ওয়ার্ল্ড হেলথ অর্গানাইজেশনের (ডব্লিউএইচও) তথ্য অনুযায়ী, বায়ুদূষণের ফলে স্ট্রোক, হৃদরোগ, ক্রনিক অবস্ট্রাকটিভ পালমোনারি ডিজিজ, ফুসফুসের ক্যান্সার এবং তীব্র শ্বাসযন্ত্রের সংক্রমণের কারণে মৃত্যুহার বেড়ে গেছে। এর ফলে বিশ্বব্যাপী প্রতি বছর আনুমানিক ৭০ লাখ মানুষ মারা যায়।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
বেসরকারি খাত থেকে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হবে ৯১৮ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ
জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে সোমবার নিউইয়র্কে প্রধানমন্ত্রী
সঙ্গীত একাডেমি