৪ জুন ২০২৬

ডোমার কেতকীবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুধীর ও রাধিকাকে পিটিয়ে আহত

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:০৪ পিএম
ডোমার কেতকীবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে সুধীর ও রাধিকাকে পিটিয়ে আহত

 

আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ীতে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে
প্রতিবেশীর আঘাতে সুধীর চন্দ্র এবং রাধিকা রানী নামে ২ স্বামী স্ত্রীকে পিটিয়ে গুরুত্বর আহত করার অভিযোগ উঠেছে। তাদের নির্যানের শিকার হয়ে ২ স্বামী স্ত্রী এখন হাসপাতালের বিছানায় চিকিৎসাধীন রয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ডোমার উপজেলার কেতকীবাড়ী ইউনিয়নের ভুজারীপাড়া গ্রামে। অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, উক্ত এলাকার শামসুল হকের ছেলে মশিয়ার রহমানের সাথে প্রতিবেশী মৃত সুরেন্দ্রনাথ নায়ের ছেলে সুধীর চন্দ্রের পারিবারিক বিষয় নিয়ে দ্বন্দ চলে আসছে।

 

এরই ধারাবাহিকতায় ঘটনার দিন রবিবার ৩১মে দুপুরে মশিয়ারের পালিত ছাগল সুধীরের জমিতে বেঁধে রাখাকে কেন্দ্র করে উভয় পক্ষের মধ্যে বাকবিতন্ডার সৃষ্টি হয়। এ সময় মশিয়ার রহমান ও তার ছেলে ফাহিম, স্ত্রী ফাতেমা বেগম মিলে সুধীর চন্দ্রকে বেধরক মারপিট করে। ঘটনার সময় স্বামী কে বাঁচাতে সুধীরের স্ত্রী রাধিকা রানী এগিয়ে গেলে তাকেও দূর্বৃত্তরা আহত করে বলে অভিযোগ করেন তারা। প্রতিপক্ষের আঘাতে সুধীর ও রাধিকা গুরুত্বর অসুস্থ হয়ে পড়লে এলাকার আবু কালাম সুধীরকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নেয়ার পথে প্রতিমধ্যে গোমনাতী ডারার পাড় নামক স্থানে পৌছা মাত্র মশিয়ারের শশুরবাড়ীর লোকজন গতিরোধ করে হাসপাতালে নিতে বাঁধা প্রদান করে।

 

পরে স্থানীর লোকজনের সহায়তায় সুধীর ও রাধিকাকে চিকিৎসার জন্য ডোমার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। এ বিষয়ে সুধীর চন্দ্র বাদী হয়ে ৬ জনের বিরুদ্ধে ডোমার থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। তবে অভিযুক্ত মশিয়ার এবং মতিয়ার রহমান আইতু জানান, সামান্য মারপিট হয়েছে। ডোমার থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ হাবিবুল্লাহ অভিযোগের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, তদন্ত করে দোষী ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে। আইনের কাছে সঠিক বিচার চেয়ে ঘটনায় জড়িতদের দৃষ্টান্ত মূলক শাস্তির জোর দাবী জানান নির্যাতনের শিকার সুধীর চন্দ্রের পরিবার।


বিপি/কেজে
 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি