২৩ মে ২০২৬

ডোমারে অসহায় এক কৃষকের জমি দখলের চেষ্টা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
ডোমারে অসহায় এক কৃষকের জমি দখলের চেষ্টা
আনিছুর রহমান মানিক, ডোমার (নীলফামারী) প্রতিনিধি: নীলফামারীর ডোমারে অসহায় কৃষক কেশব চন্দ্র বর্মনের জমি জোর করে দখলের চেষ্টা করার অভিযোগ উঠেছে এক প্রভাবশারীর বিরুদ্ধে।ঘটনাটি ঘটেছে উপজেলার বোড়াগাড়ী ইউনিয়নের নয়ানী বাগডোকরা নিমোজখানা এলাকায় শিমলতরী প্রইমারী স্কুল সংলগ্ন। অভিযোগ সুত্রে জানাযায়, উক্ত এলাকার মৃত জয়দেব চন্দ্রের ছেলে কেশব চন্দ্র বর্মন পৌত্রিক সুত্রে জমি প্রাপ্ত হয়ে বাপ দাদার আমল থেকে ভোগ দখল করে আসছে। পাশের গ্রাম মোজাহারের ডাঙ্গা এলাকার আবু তালেবের ছেলে আব্দুল আজিজের সাথে তাদের দীর্ঘদিন যাবত জমি সংক্রান্ত বিষয়কে কেন্দ্র করে দ্বন্দ চলে আসছে। বিষয়টি নিয়ে একাধীক বার থানা প্রশাসন ও এলাকার গণ্যমাণ্যগণ শালিশ ও বৈঠক বসিয়ে তা সমাধান করে দেন। বিরোধ মিটিয়ে সেই থেকে ভাল ভাবেই চলছে তাদের দিনকাল। আবারো পূর্বের জের ধরে ঘটনার দিন বৃহস্পতিবার (৩জুলাই) দুপুরে আব্দুল আজিজ ও তার ছেলে ফারুক, মারুফ সহ তাদের দলবল নিয়ে দেশীয় অস্ত্রে সজ্জিত হয়ে পাওয়ার টিলার দিয়ে কেশব চন্দ্র বর্মনের জমিতে জোরপূর্বক হালচাষ করে বাঁেশর খুটি গেড়ে দেয় আব্দুল আজিজ এবং তার বাহিনী । কেশব চন্দ্র ও তার পরিবারের লোকজন বাঁধা নিষেধ করতে গেলে প্রতিপক্ষরা লাঠি শোট নিয়ে বিভিন্ন ধরনের ভয় ভীতি প্রদর্শন করে বলে কেশব চন্দ্র অভিযোগ করেন। এবিষয়ে অভিযুক্ত আব্দুল আজিজ জমি দখলের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি কেশবের ২ ভাইয়ের কাছ থেকে জমি কিনেছি, কিন্তু তারা আমাকে অন্যত্র জমি দেখিয়ে দিয়েছে। তাই আমি দাগ অনুযায়ী আমার খরিদকৃত জমি হালচাষ দিয়ে নিজে বুঝে নিয়েছি। আমি অন্যায় ভাবে কারো জমিতে যায়নি। এ বিষয়ে পৌত্রিক জমি উদ্ধারে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করেন অসহায় কৃষক কেশব চন্দ্রের পরিবার। [বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।] বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

FIRDAUS FASHIONS


FIRDAUS FASHIONS

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি