৩১ অক্টোবর ২০২৬

এবার এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেকই ফেল

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:০১ পিএম
এবার এইচএসসিতে প্রায় অর্ধেকই ফেল

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  এবার উচ্চমাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ লাখ ২৩ হাজার ৮৯৮ জন অকৃতকার্য হয়েছেন। গড় পাসের হার দাঁড়িয়েছে ৫২ দশমিক ১২ শতাংশ। অর্থাৎ পরীক্ষায় অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের প্রায় অর্ধেকই পাস করতে পারেননি।

শনিবার (৩১ অক্টোবর) বেলা ১১টার দিকে দেশের ১১টি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়। ফল প্রকাশের কার্যক্রম উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

প্রকাশিত ফল অনুযায়ী, এবার মোট ৬ লাখ ৪৬ হাজার ৬৮৫ জন শিক্ষার্থী পাস করেছেন। জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৪০ হাজার ৮৪ জন। অন্যদিকে, অকৃতকার্য হয়েছেন ৬ লাখ ২৩ হাজার ৮৯৮ জন।

এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে নিয়মিত ও অনিয়মিত মিলিয়ে মোট পরীক্ষার্থী ছিলেন ১২ লাখ ৭০ হাজার ৫৮৩ জন। তবে পরীক্ষায় উল্লেখযোগ্যসংখ্যক শিক্ষার্থী অনুপস্থিত ছিলেন।

যেভাবে জানা যাবে ফল

শিক্ষার্থীরা শিক্ষা মন্ত্রণালয়, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইট, পরীক্ষাকেন্দ্র ও নিজ নিজ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে ফলাফল জানতে পারবেন। অনলাইনে ফল দেখতে পারবেন eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইটে।

এ ছাড়া মুঠোফোনে খুদে বার্তার (এসএমএস) মাধ্যমেও ফল জানার সুযোগ রয়েছে। এবার এসএমএসে ফল জানার নম্বর পরিবর্তন করে ১৬১৪০ নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের বছরগুলোতে ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়ে ফল জানা যেত।

এসএমএসে ফল জানতে HSC লিখে বোর্ডের নামের প্রথম তিন অক্ষর, এরপর রোল নম্বর ও পরীক্ষার বছর লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে। উদাহরণ: HSC DHA 123456 2026 লিখে ১৬১৪০ নম্বরে পাঠাতে হবে।

গত বছরের তুলনায় কমেছে পাস ও জিপিএ-৫

২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় গড় পাসের হার ছিল ৫৮ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ওই বছর জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। এর আগের বছর, ২০২৪ সালে, জিপিএ-৫ পেয়েছিলেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৯১১ জন।

সেই হিসাবে গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৬ দশমিক ৭১ শতাংশ পয়েন্ট। একই সঙ্গে জিপিএ-৫ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যাও উল্লেখযোগ্যভাবে কমেছে।
বিপি > এসপি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি