গাজায় একদিনে ৭২ জন নিহত, মোট মৃতের সংখ্যা ৬১ হাজার ৩৩০
বাংলা প্রেস
প্রকাশ: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১২:৪২ পিএম
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ফিলিস্তিনি ভূখণ্ড গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের অব্যাহত নির্বিচার হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬১ হাজার ৩৩০ জনে। এর মধ্যে ক্ষুধা ও অপুষ্টিজনিত কারণে প্রাণ হারিয়েছেন ২০১ জন। ফিলিস্তিনের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শুক্রবার (৮ আগস্ট) সর্বশেষ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে।
বার্তা সংস্থা আনাদুলো জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজার বিভিন্ন হাসপাতলে পৌঁছেছে ৭২ জনের মরদেহ এবং আহত হয়েছেন ৩১৪ জন। ২০২৩ সালের অক্টোবরে যুদ্ধ শুরুর পর থেকে মোট আহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৫২ হাজার ৩৫৯ জনে।
১৫ আগস্ট আলাস্কায় পুতিন-ট্রাম্প বৈঠক
গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ক্ষুধা ও অপুষ্টিতে মারা গেছেন আরও চারজন। দুর্ভিক্ষে মৃতের মধ্যে ৯৮ জন শিশু রয়েছে। মন্ত্রণালয় সতর্ক করে জানিয়েছে, বহু হতাহত এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে বা রাস্তায় পড়ে আছেন। কিন্তু তীব্র বোমাবর্ষণ ও উদ্ধার সরঞ্জামের ঘাটতির কারণে জরুরি সেবা ও সিভিল ডিফেন্স কর্মীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছেন না।
এদিকে, মানবিক সহায়তা নিতে গিয়ে নিহত ফিলিস্তিনির সংখ্যা বেড়ে ১ হাজার ৭৭২ জনে পৌঁছেছে। গত ২৪ ঘণ্টায় প্রাণ হারিয়েছেন ১৬ জন। ‘গাজা হিউম্যানিটারিয়ান ফাউন্ডেশন’ কার্যক্রম শুরুর পর থেকে এ ধরনের ঘটনায় আহত হয়েছে ১২ হাজার ২৪৯ জন।
কাশ্মির যুদ্ধবিরতি ভেঙে গত ১৮ মার্চ থেকে ইসরায়েলি সেনারা ফের গাজায় হামলা শুরু করে। এ সময়ে তারা ৯ হাজার ৮২৪ জনকে হত্যা করেছে এবং ৪০ হাজার ৩১৮ জনকে আহত করেছে।
গত বছরের নভেম্বরে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি) গাজায় যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্তের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। গাজায় চলমান যুদ্ধের কারণে ইসরায়েল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতে (আইসিজে) গণহত্যার মামলার মুখোমুখি রয়েছে।
[বাংলা প্রেস বিশ্বব্যাপী মুক্তচিন্তার একটি সংবাদমাধ্যম। স্বাধীনচেতা ব্যক্তিদের জন্য নিরপেক্ষ খবর, বিশ্লেষণ এবং মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজ আগের চেয়ে আরও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
বিপি/কেজে
[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি