২ নভেম্বর ২০২৬

ইরানের অনুমতি সত্ত্বেও হরমুজে পাকিস্তানি ট্যাংকারে হামলা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১০:০০ পিএম
ইরানের অনুমতি সত্ত্বেও হরমুজে পাকিস্তানি ট্যাংকারে হামলা

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  হরমুজ প্রণালির কাছে আরব উপসাগরে হামলার শিকার হয়েছে কাতারের গ্যাসবাহী ট্যাংকার ‘আল মায়েদা’। পাকিস্তানের উদ্দেশে গ্যাস নিয়ে যাত্রা করা জাহাজটি ইরানের কাছ থেকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের অনুমতি পেয়েছিল। এরপরও হামলার শিকার হওয়ায় ঘটনাটি ঘিরে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, কাতার থেকে তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) নিয়ে পাকিস্তানের দিকে যাচ্ছিল ট্যাংকারটি। হরমুজ প্রণালি দিয়ে নিরাপদে চলাচলের জন্য পাকিস্তান আগে থেকেই কূটনৈতিক চ্যানেলে ইরানি কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনুমতি সংগ্রহ করেছিল।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর বরাতে প্রতিবেদনে জানানো হয়, ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগেই ট্যাংকারটিকে হরমুজ প্রণালি অতিক্রমের সবুজ সংকেত দিয়েছিল তেহরান। তবে অনুমতি পাওয়ার পরও জাহাজটি হামলার মুখে পড়ে। পরে গতিপথ পরিবর্তন করে সেটি আবার বিপরীত দিকে ফিরে যায়।

শনিবার কাতারের রাষ্ট্রীয় গ্যাস সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান জানায়, আরব উপসাগরে তাদের একটি ট্যাংকার হামলার শিকার হয়েছে। জাহাজটি কাতারের মালিকানাধীন হলেও মার্শাল দ্বীপপুঞ্জের পতাকাবাহী ছিল। বিষয়টির সঙ্গে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে জানিয়েছে, ট্যাংকারটি কাতার থেকে গ্যাস নিয়ে পাকিস্তানের উদ্দেশে রওনা হয়েছিল।

ভারতের জাহাজ চলাচলমন্ত্রী সর্বানন্দ সোনোয়াল জানিয়েছেন, হামলার সময় ট্যাংকারটিতে ছয় ভারতীয়সহ মোট ২৫ জন ক্রু ছিলেন। তাঁদের সবাই নিরাপদে রয়েছেন বলে জানান তিনি। তবে হামলার ধরন বা ক্ষয়ক্ষতি সম্পর্কে বিস্তারিত কিছু জানাননি।

ব্লুমবার্গের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পাকিস্তানি কর্তৃপক্ষ জাহাজটির নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে আগে থেকেই ইরানের সঙ্গে সমন্বয় করেছিল। তারপরও কেন ট্যাংকারটি হামলার শিকার হলো, তা এখনো পরিষ্কার নয়। হামলার পেছনে কারা জড়িত এবং কী পরিস্থিতিতে ঘটনাটি ঘটেছে, সে বিষয়েও নিশ্চিত কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, গত মাসেও পাকিস্তান কাতার থেকে আসা একাধিক গ্যাসবাহী ট্যাংকার ইরানের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে হরমুজ প্রণালি পার করে ওমান উপসাগর পর্যন্ত নিয়ে এসেছিল। ফলে এবার অনুমতি থাকা সত্ত্বেও ট্যাংকারে হামলার ঘটনা বিশেষভাবে তাৎপর্যপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত পাকিস্তান ও ইরান সরকারের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক মন্তব্য পাওয়া যায়নি। দেশ দুটির জ্বালানি মন্ত্রণালয়ও এ ঘটনায় নীরব রয়েছে।
বিপি > এসপি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি