১ নভেম্বর ২০২৬

তুরস্কের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অংশীদার হতে পারে দক্ষিণ কোরিয়া: এরদোয়ান

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৩৯ পিএম
তুরস্কের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে অংশীদার হতে পারে দক্ষিণ কোরিয়া: এরদোয়ান

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: তুরস্কের পরিকল্পিত সিনোপ পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণে দক্ষিণ কোরিয়া অংশীদার হতে পারে বলে জানিয়েছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্স তাদের এক প্রতিবেদনে এ খবর জানিয়েছে।

খবরে বলা হয়, সোমবার (২ নভেম্বর) দক্ষিণ কোরিয়ার বার্তা সংস্থা ইয়োনহাপকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি এই সম্ভাবনার কথা তুলে ধরেন। প্রেসিডেন্ট এরদোয়ান জানান, তুরস্ক মালিকানাধীন ‘কোরিয়া ইলেকট্রিক পাওয়ার কর্পোরেশন’-এর সঙ্গে কৃষ্ণ সাগর পারমাণবিক প্রকল্পের প্রযুক্তিগত ও অর্থনৈতিক বিষয়গুলো খতিয়ে দেখছে। তবে চূড়ান্ত অংশীদার বেছে নেওয়ার আগে প্রকল্পের অর্থায়ন, বিদ্যুৎ উৎপাদন খরচ ও তুরস্কের অর্থনীতিতে আঙ্কারা এর সামগ্রিক সুবিধা বিবেচনা করবে।

তিন দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে সোমবার সিউলে পৌঁছানোর কথা রয়েছে প্রেসিডেন্ট এরদোয়ানের। ২০১৮ সালের পর দক্ষিণ কোরিয়ায় এটিই তার প্রথম সফর। সফরকালে মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) তিনি দক্ষিণ কোরিয়ার রাষ্ট্রপতি লি জে মিয়ংয়ের সঙ্গে এক শীর্ষ বৈঠকে মিলিত হবেন বলে সিউলের রাষ্ট্রপতির কার্যালয় থেকে নিশ্চিত করা হয়েছে।

ইয়োনহাপকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এরদোয়ান শুধু পারমাণবিক শক্তিই নয়, বরং প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি, সেমিকন্ডাক্টর, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও রোবোটিক্সকে দুই দেশের সহযোগিতার সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র হিসেবে চিহ্নিত করেন। তিনি তুরস্কে আরো বেশি দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ এবং যৌথ উৎপাদনের আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে এরদোয়ান উল্লেখ করেন, দুই দেশ ১৫ বিলিয়ন ডলারের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে কাজ করছে। তবে বাণিজ্য ভারসাম্য বর্তমানে দক্ষিণ কোরিয়ার অনুকূলে থাকায় সেই ব্যবধান কমানোর উদ্যোগ নেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। পাশাপাশি এশিয়া ও ইউরোপের মধ্যে সংযোগ স্থাপনকারী তুরস্কের বৃহৎ পরিবহন ও লজিস্টিকস প্রকল্পগুলোতে অংশ নিতে দক্ষিণ কোরীয় কোম্পানিগুলোর প্রতি আমন্ত্রণ জানান তুর্কি প্রেসিডেন্ট। সূত্র: রয়টার্স

বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি