২৩ অক্টোবর ২০২৬

কক্সবাজার সৈকতের আবাসিক হোটেলে আগুন, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ৩০০ পর্যটক

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৩:২০ পিএম
কক্সবাজার সৈকতের আবাসিক হোটেলে আগুন, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন ৩০০ পর্যটক

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: কক্সবাজারের সুগন্ধা পয়েন্টে ‘দ্য সি প্রিন্সেস’ নামের একটি আবাসিক হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ঘটনার সময় হোটেলটিতে তিন শতাধিক পর্যটক অবস্থান করছিলেন। আগুন লাগার পর সকলেই নিরাপদে হোটেল থেকে বেরিয়ে যান।

শুক্রবার বিকেল ৪টার দিকে হোটেলটির নিচতলার পার্কিং এলাকায় আগুন লাগে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট। প্রায় আধা ঘণ্টার চেষ্টায় ফায়ার সার্ভিস ও হোটেল কর্তৃপক্ষ আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় পার্কিং এলাকার জেনারেটরসহ বেশ কিছু অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কক্সবাজার ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের উপসহকারী পরিচালক সৈয়দ মুহাম্মদ মোরশেদ হোসেন জানান, আগুনের খবর পেয়ে দ্রুতই ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের একটি ইউনিট সেখানে গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। ধারণা করা হচ্ছে, জেনারেটরের শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লেগেছে। তবে কেউ হতাহত হননি।

দ্য সি প্রিন্সেস- এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আব্দুল কাদের জানান, আমাদের যথেষ্ট অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা রয়েছে। কর্মীদের দক্ষতায় বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। পর্যটকেরা নিরাপদে আছেন।

এর আগে ১৭ অক্টোবর কক্সবাজারের মেরিন ড্রাইভ সড়কের ইনানী পাটুয়ারটেক এলাকায় ‘টুপটুপ রিসোর্ট’ নামের একটি আবাসিক প্রতিষ্ঠানে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যু হয়। ওই ঘটনার এক সপ্তাহের ব্যবধানে কক্সবাজারের আরেকটি হোটেলে আগুনের ঘটনা ঘটল।

টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে নিহত ১০ জনের পরিচয় শনাক্ত করতে ডিএনএ পরীক্ষার জন্য নমুনা ঢাকায় পাঠানো হয়েছে। পরিচয় নিশ্চিত করতে তিন থেকে চার সপ্তাহ সময় লাগতে পারে বলে জানিয়েছে কক্সবাজার সদর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

রোববার সন্ধ্যায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালের হিমঘরে রাখা ১০টি মরদেহ থেকে ডিএনএ পরীক্ষার নমুনা সংগ্রহ করা হয়। হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসা কর্মকর্তা (আরএমও) সুবক্তগীন মাহমুদ সোহেল প্রায় তিন ঘণ্টা ধরে নমুনা সংগ্রহের কাজ করেন। পরে নমুনাগুলো পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ও ইনানী পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক (এসআই) রিমন ঘোষ জানান, মরদেহগুলো থেকে প্রয়োজনীয় আলামত সংগ্রহ করা হয়েছে। পরীক্ষার জন্য নমুনাগুলো ঢাকার মালিবাগে পাঠানো হচ্ছে। পরীক্ষার ফল পাওয়ার পর নিহত ব্যক্তিদের পরিচয় নিশ্চিত করা সম্ভব হবে।

হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, আগুনে মরদেহগুলো মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় দেখে পরিচয় শনাক্ত করা সম্ভব হচ্ছে না। এ কারণে ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে পরিচয় নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
বিপি/টিআই

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি