মধ্যবর্তী নির্বাচনে ট্রাম্পের জনসমর্থন নিয়ে অনিশ্চয়তা
ছবি: সংগৃহীত
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ইরানের সঙ্গে যুদ্ধকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের জনপ্রিয়তা দিন দিন কমছে। একই সঙ্গে আগামী নভেম্বরে মধ্যবর্তী নির্বাচনে কংগ্রেসে নিজেদের সামান্য ব্যবধানে থাকা সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখার চাপে পড়েছেন তাঁর দল রিপাবলিকান পার্টির নেতারা।
চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানে হামলার মধ্য দিয়ে শুরু হওয়া এই সংঘাতের প্রভাব পড়েছে মার্কিন রাজনীতিতে। রয়টার্স ও ইপসোসের সাম্প্রতিক এক জনমত জরিপ অনুযায়ী, প্রায় ৬০ শতাংশ মার্কিন নাগরিক ইরান পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার ক্ষেত্রে ট্রাম্পের ভূমিকার প্রতি অসন্তুষ্ট। তাদের মধ্যে প্রতি চারজন রিপাবলিকান সমর্থকের একজনও রয়েছেন।
এদিকে যুদ্ধের কারণে দেশটিতে পেট্রলের দাম উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে।
এমন এক সময়ে জ্বালানির ব্যয় বাড়ছে, যখন ভোটারদের কাছে জীবনযাত্রার ব্যয়ই সবচেয়ে বড় উদ্বেগের বিষয়। যদিও ট্রাম্প বারবার জানিয়েছেন, নির্বাচনের পর জ্বালানি তেলের দাম কমবে বলে তিনি আশা করছেন। তবে যুদ্ধ থেকে বেরিয়ে আসার বিষয়ে তিনি এখনো বিস্তারিত কোনো পরিকল্পনা তুলে ধরেননি।
এদিকে যুদ্ধের অবসান এবং বৈশ্বিক জ্বালানি পরিবহনের গুরুত্বপূর্ণ পথ হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার লক্ষ্যে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান পরস্পরের কাছে প্রস্তাব বিনিময় করেছে।
এর মধ্যে তেহরানের সর্বশেষ প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছেন ট্রাম্প। ফলে বৃহস্পতিবার ইরান স্পষ্ট জানিয়েছে, দেশটি ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ বন্ধ করবে না। একই সঙ্গে নিজেদের ইউরেনিয়ামের মজুদ অন্যের হাতে তুলে দেবে না। ইরানের পরমাণু শক্তি সংস্থার প্রধানের বরাত দিয়ে রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়।
এর কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স রয়টার্সকে বলেছিলেন, যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানকে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের সক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে হবে।
যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও তাদের পশ্চিমা মিত্ররা দীর্ঘদিন ধরে ইরানের বিরুদ্ধে পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির চেষ্টার অভিযোগ করে আসছে। তেহরান এ অভিযোগ অস্বীকার করেছে।
বিপি> এস পি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি