৯ এপ্রিল ২০২৬

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে বিশ্বনেতাদের প্রতি ড. ইউনূসের আহ্বান

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৮ এপ্রিল ২০২৬, ০৪:৪৬ পিএম
মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ বন্ধে বিশ্বনেতাদের প্রতি ড. ইউনূসের আহ্বান

বাংলাপ্রেস ডেস্ক: মধ্যপ্রাচ্যে চলমান রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের অবসান ঘটাতে বিশ্বনেতাদের প্রতি জরুরি ও কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন শান্তিতে নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। বুধবার (৮ এপ্রিল) বিকেলে ইউনূস সেন্টারের মাধ্যমে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এই সংহতি ও শান্তি স্থাপনের ডাক দেন।

 

বিবৃতিতে অধ্যাপক ইউনূস উল্লেখ করেন, যুদ্ধের ক্ষতে জর্জরিত বিশ্বকে চলমান এই সংঘাত আরও গভীর অস্থিতিশীলতার দিকে ঠেলে দিচ্ছে। তিনি বলেন, ‘আমরা আজ মানবতার এক কঠিন পরীক্ষার মুখোমুখি। যেখানে বেসামরিক নাগরিক, বিশেষ করে শিশুরা প্রাণ হারাচ্ছে; বাড়িঘর, হাসপাতাল ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ধ্বংস হচ্ছে এবং মানুষের মৌলিক চাহিদাগুলো উপেক্ষিত হচ্ছে।’


এই সংকটকে কেবল আঞ্চলিক সমস্যা হিসেবে দেখতে নারাজ ড. ইউনূস। তার মতে, এটি সমগ্র মানবজাতির জন্য এক গভীর নৈতিক চ্যালেঞ্জ। তিনি সতর্ক করে বলেন, ‘এই যুদ্ধ বিশ্বজুড়ে অনিশ্চয়তা ও অস্থিরতা বাড়িয়ে দিচ্ছে, যার সবচেয়ে বড় মূল্য দিচ্ছে দরিদ্র দেশগুলো। এতে দরিদ্র ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর জীবন আরও বিপন্ন হয়ে উঠছে।’

বিবৃতিতে সাহস ও সহমর্মিতার সঙ্গে বৈশ্বিক ঐক্য গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে বলা হয়, বর্তমান পরিস্থিতিতে সামরিক উত্তেজনার পরিবর্তে কূটনৈতিক সংলাপকে অগ্রাধিকার দেওয়া প্রয়োজন। আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখতে এবং বহুপক্ষীয় সহযোগিতা জোরদার করতে বিশ্বনেতাদের এগিয়ে আসার অনুরোধ জানান তিনি।


অধ্যাপক ইউনূস তার বক্তব্যে স্পষ্টভাবে বলেন, ‘আমাদের যুদ্ধ নয়, শান্তিকে বেছে নিতে হবে। হামলা নয়, সংলাপকে বেছে নিতে হবে। বিভাজন নয়, ঐক্যকে বেছে নিতে হবে।’

উল্লেখ্য, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া ৩৯ দিনের ভয়াবহ যুদ্ধের পর আজ বুধবার ভোরে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দুই সপ্তাহের একটি ‘যুদ্ধবিরতি’ ঘোষণা করেন। সেই যুদ্ধবিরতি ঘোষণার কয়েক ঘণ্টার মাথায় স্থায়ীভাবে শান্তি প্রতিষ্ঠার এই আহ্বান নিয়ে এলেন অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস।


বিপি/টিআই

 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি