ল্যাটিন কিংস গ্যাং সদস্য
নিউ ইয়র্কে মুক্তি পাওয়া অবৈধ অভিবাসী ফের গ্রেপ্তার
তাসিগুয়ানো লিওন
নিজস্ব প্রতিবেদক: যুক্তরাষ্ট্রের মার্কিন অভিবাসন ও শুল্ক প্রয়োগকারী সংস্থা জানিয়েছে, তারা ব্রায়ান ডেভিড তাসিগুয়ানো লিওন নামে এক 'বিপজ্জনক অপরাধী অবৈধ অভিবাসী এবং ‘ল্যাটিন কিংস’ গ্যাং সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। অভিযোগ রয়েছে, নিউ ইয়র্ক সিটির তথাকথিত ‘স্যান্কচুয়ারি’ নীতির কারণে তাকে আগে জেল থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছিল, কারণ স্থানীয় কর্তৃপক্ষ আইসিই-এর ডিটেইনার (হেফাজতে নেওয়ার অনুরোধ) মানেনি।
২০২৬ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি নিউ ইয়র্ক পুলিশ বিভাগ -এর কর্মকর্তারা ইকুয়েডরের নাগরিক তাসিগুয়ানো লিওনকে হামলার অভিযোগে গ্রেপ্তার করেন। তার বিরুদ্ধে ডিটেইনার জারি থাকা সত্ত্বেও তাকে জেল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়।
পরবর্তীতে ২০২৬ সালের ৪ মার্চ নিউইয়র্ক সিটিতে লক্ষ্যভিত্তিক অভিযানের মাধ্যমে আইসিই তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার করে। বর্তমানে তিনি যুক্তরাষ্ট্র থেকে বহিষ্কারের প্রক্রিয়া সম্পন্ন না হওয়া পর্যন্ত আইসিই-এর হেফাজতে রয়েছেন।
ডিএইচএস জানায়, তাসিগুয়ানো লিওন ২০২২ সালের ১১ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের দক্ষিণ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে প্রবেশ করেন এবং এরপর বাইডেন প্রশাসনের সময় তাকে দেশে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হয়। এর আগে তার বিরুদ্ধে হামলা এবং পারিবারিক অবহেলার অভিযোগে গ্রেপ্তারের রেকর্ড রয়েছে।
২০২৫ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি এক বিচারক তার বিরুদ্ধে চূড়ান্ত বহিষ্কার আদেশ জারি করেন।
ডিএইচএস-এর ভারপ্রাপ্ত সহকারী সচিব লরেন বিস বলেন,নিউ ইয়র্কের স্যান্কচুয়ারি নীতির রাজনীতিকরা এই ল্যাটিন কিংস গ্যাং সদস্যকে জেল থেকে ছেড়ে দিয়েছেন, যদিও তার বিরুদ্ধে আগে থেকেই হামলা ও পারিবারিক অবহেলার অভিযোগ ছিল।
তিনি আরও বলেন,এই অবৈধ অভিবাসীকে শুধু বাইডেন প্রশাসনই নয়, নিউ ইয়র্কের স্যান্কচুয়ারি নীতির রাজনীতিকরাও আবার মুক্তি দিয়েছে। যথেষ্ট হয়েছে অপরাধী অবৈধ অভিবাসীদের আমাদের সমাজে ছেড়ে দেওয়া বন্ধ করতে হবে।
নিউ ইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি একটি নির্বাহী আদেশে শহরটিকে এমন এক নীতির আওতায় আনেন, যা সমালোচকদের মতে সহিংস অপরাধে জড়িত অবৈধ অভিবাসীদের জন্য ঢাল হিসেবে কাজ করছে। এ পদক্ষেপটি আসে গভর্নর ক্যাথি হোচুল-এর একটি প্রস্তাবের পর, যেখানে স্থানীয় পুলিশকে আইসিই-এর সঙ্গে সহযোগিতা থেকে বিরত রাখার কথা বলা হয়।
বর্তমানে নিউ ইয়র্ক অঙ্গরাজ্যে সক্রিয় ডিটেইনারসহ ৭,১১৩ জন অভিবাসী হেফাজতে রয়েছে বলে জানিয়েছে ডিএইচএস। তাদের বিরুদ্ধে ১৪৮টি হত্যাকাণ্ড, ৭১৭টি হামলা, ১৩৪টি চুরি (বার্গলারি), ১০৬টি ডাকাতি, ২৩৫টি মাদকসংক্রান্ত অপরাধ, ১৫২টি অস্ত্র অপরাধ এবং ২৬০টি যৌন শিকারমূলক অপরাধের অভিযোগ রয়েছে।
* কপিরাইট ২০২৬ বাংলা প্রেস। সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত। এই উপাদান প্রকাশ, সম্প্রচার, পুনর্লিখন বা পুনর্বিতরণ করা যাবে না।
বিপি/এসএম
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
যুদ্ধবিমানের একজন ক্রুকে উদ্ধার করেছে যুক্তরাষ্ট্র: দাবি সেনাদের
স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন
সঙ্গীত একাডেমি