১৬ এপ্রিল ২০২৬

নিয়মিত খাবারের সময় মেনে চলার উপকারিতা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৬, ০৫:৪৩ এএম
নিয়মিত খাবারের সময় মেনে চলার উপকারিতা

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:   নিয়মিত একই সময়ে খাবার খাওয়া শরীরের জন্য অনেক বেশি কার্যকর হতে পারে। পুষ্টি বিশেষজ্ঞরা মনে করেন, প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে খাবার খাওয়া মাত্র ৯০ দিনের মধ্যে শরীরের প্রাকৃতিক প্রক্রিয়াগুলোকে উল্লেখযোগ্য হারে উন্নত করতে পারে।

গবেষণা অনুযায়ী, মানব শরীর একটি প্রাকৃতিক জৈব ঘড়ির (বায়োলজিক্যাল ক্লক) ওপর নির্ভর করে যা ঘুম, ক্ষুধা, পাচন এবং শক্তি ব্যবহারের নিয়ন্ত্রণ করে।

যখন খাবারের সময় দৈনিক পরিবর্তিত হয়, শরীরকে বারবার সমন্বয় করতে হয়, তখন এই অভ্যন্তরীণ সিস্টেম ব্যাহত হয়। অন্যদিকে, নির্দিষ্ট সময়ে খেলে শরীর খাওয়া হজম করতে এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণে আরও দক্ষ হয়ে ওঠে।

প্রথম কয়েক সপ্তাহে পরিবর্তন

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, প্রাথমিক কয়েক সপ্তাহের মধ্যে লক্ষ্যযোগ্য পরিবর্তন দেখা দিতে শুরু করে। ক্ষুধা নির্দিষ্ট সময়ে আসে, যা অপ্রয়োজনীয় স্ন্যাকিং কমায়। রাতে খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা কমে যায় কারণ শরীর নতুন রুটিনের সাথে খাপ খাইয়ে নেয়।

এই সময়ে ক্ষুধা ও স্যাচিয়টি (পর্যাপ্ত খাবারের অনুভূতি) নিয়ন্ত্রণকারী হরমোন নতুন সময়সূচির সাথে সমন্বিত হয়।

এক মাস পরের প্রভাব

এক মাসের মধ্যে মানুষ আরও স্থিতিশীল শক্তি অনুভব করতে পারে।

রক্তে চিনির হঠাৎ ওঠানামা কমে যায়, যা মনোযোগ এবং সতর্কতা বজায় রাখতে সাহায্য করে।

হজম প্রক্রিয়া উন্নত হয়, কিছু মানুষ খাবারের পরে পেট ফোলা কমে যাওয়া অনুভব করেন।

৯০ দিন পর চূড়ান্ত ফলাফল

নির্দিষ্ট সময়ে খাওয়া অভ্যাসে পরিণত হয়।

ক্ষুধা নিয়ন্ত্রণে থাকে এবং বিশেষ করে রাতে খাওয়ার ক্রেভিং উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

শরীরের অভ্যন্তরীণ প্রক্রিয়ার সাথে মিল রেখে ঘুমের মান উন্নত হতে পারে।

অতিরিক্ত শক্তি ফ্যাটে সংরক্ষণের হার ধীর হয়ে যায়, যা মেটাবলিক স্বাস্থ্যকে সমর্থন করে।

কেন খাবারের সময় গুরুত্বপূর্ণ

গবেষণায় দেখা গেছে, দিনের সময় শরীর খাবার প্রক্রিয়াকরণে আরও কার্যকর, যখন রাতের সময় বিশ্রামের জন্য নির্ধারিত।

এই কারণে নিয়মিত প্রাতঃরাশ, সময়মতো মধ্যাহ্নভোজ এবং আগেই ডিনার খাওয়া স্বাস্থ্যকর হিসেবে বিবেচিত।

বিশেষজ্ঞের পরামর্শ

চিকিৎসা বিশেষজ্ঞরা বলেন, শুধু খাবারের সময় পরিবর্তন করলেই সব সমস্যার সমাধান হয় না।

তবে, এটি সুষম খাদ্য, যথাযথ ঘুম এবং শারীরিক ক্রিয়াকলাপের সঙ্গে মিলিয়ে করলে মেটাবলিজম এবং সামগ্রিক সুস্থতা উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, ঘুমের কমপক্ষে তিন ঘণ্টা আগে খাওয়া শেষ করলে রক্তচাপ ও রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকে। সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি