১৫ এপ্রিল ২০২৬

শসার পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানুন

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ১৩ এপ্রিল ২০২৬, ১০:০০ পিএম
শসার পুষ্টিগুণ ও স্বাস্থ্য উপকারিতা সম্পর্কে জানুন

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  শসা একটি স্বাস্থ্যকর ও হালকা খাবার হিসেবে পরিচিত, বিশেষ করে যারা ওজন কমাতে চান এবং দৈনন্দিন খাদ্যতালিকায় স্বাস্থ্যকর খাবার যোগ করতে চান তাদের মধ্যে এটি খুব জনপ্রিয়।

এতে প্রচুর পরিমাণে পানি থাকে, যা শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে সাহায্য করে। এই কারণেই এটি সাধারণত সালাদ, রায়তা, জুস এবং স্মুদি তৈরিতে ব্যবহার করা হয়।

পুষ্টি বিশেষজ্ঞদের মতে, শসায় ৯৫ শতাংশেরও বেশি পানি থাকে, পাশাপাশি এতে ভিটামিন কে, ভিটামিন সি, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম এবং ফাইবারের মতো গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি উপাদানও রয়েছে। এটি হজমশক্তি উন্নত করতে, প্রদাহ কমাতে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে এবং ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক বলে মনে করা হয়।

তবে বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করেছেন যে, অনেক উপকারিতা থাকা সত্ত্বেও কিছু নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থায় শসা ক্ষতিকর হতে পারে, তাই এটি সাবধানে খাওয়া উচিত।

শ্বাসতন্ত্র ও কফজনিত সমস্যা

পুষ্টিবিদদের মতে শসার একটি ঠান্ডা প্রভাব রয়েছে, যা কিছু মানুষের ক্ষেত্রে কফ বাড়াতে পারে। যাদের ঠান্ডা, কাশি, হাঁপানি, সাইনাস বা অন্যান্য শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা আছে, তাদের ক্ষেত্রে বিশেষ করে ঠান্ডা আবহাওয়ায় উপসর্গ বেড়ে যেতে পারে।

দুর্বল হজমশক্তি

যদিও এর ফাইবার হজমে সাহায্য করে, তবে সংবেদনশীল পেটের মানুষের জন্য শসা সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। কিউকারবিটাসিন নামক একটি যৌগ গ্যাস, পেট ফাঁপা এবং বদহজমের কারণ হতে পারে, বিশেষ করে যাদের আইবিএস বা অন্যান্য গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল সমস্যা রয়েছে।

জয়েন্টের ব্যথা বাড়ার সম্ভাবনা

বিশেষজ্ঞদের মতে, যারা আর্থ্রাইটিস বা জয়েন্টের ব্যথায় ভুগছেন তাদের শসা খাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক থাকা উচিত। কারণ শসার ঠান্ডা প্রকৃতি কিছু ক্ষেত্রে বিশেষ করে শীতকালে ব্যথা ও প্রদাহ বাড়াতে পারে।

মূত্রতন্ত্রের সমস্যা

শসার প্রাকৃতিক ডাইইউরেটিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে, তাই অতিরিক্ত খেলে মূত্রনালীর সংক্রমণ বা অন্যান্য প্রস্রাবজনিত সমস্যায় ভুগছেন এমন ব্যক্তিদের জন্য এটি ক্ষতিকর হতে পারে। তাই পরিমিত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

ডায়াবেটিস রোগীরা

যদিও সাধারণভাবে ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য শসা নিরাপদ, তবে কিছু ক্ষেত্রে শসার বীজ রক্তে শর্করার মাত্রা অতিরিক্ত কমিয়ে দিতে পারে, বিশেষ করে যারা ইনসুলিন বা অন্যান্য ওষুধ গ্রহণ করছেন। এতে দুর্বলতা, মাথা ঘোরা এবং ক্লান্তি দেখা দিতে পারে।

রাতে শসা না খাওয়ার কারণ

পুষ্টিবিদরা রাতে শসা খাওয়া এড়াতে পরামর্শ দেন, কারণ এতে থাকা উচ্চ পরিমাণ পানি ঘন ঘন প্রস্রাবের কারণ হতে পারে, যা ঘুমে ব্যাঘাত ঘটায়। এছাড়া এর ঠান্ডা প্রভাব রাতের সময়ের জন্য কম উপযোগী বলে মনে করা হয়। সূত্র: সামা
বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন


স্ট্রিট কিচেন-স্পাইস টাউন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি