২৯ জুলাই ২০২৬

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানা ঢালাওভাবে বিক্রির সিদ্ধান্ত উদ্বেগজনক : ন্যাপ মহাসচিব

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ২৮ জুলাই ২০২৬, ০১:১২ পিএম
রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানা ঢালাওভাবে বিক্রির সিদ্ধান্ত উদ্বেগজনক : ন্যাপ মহাসচিব

রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানা ঢালাওভাবে
বিক্রির সিদ্ধান্ত উদ্বেগজনক : ন্যাপ মহাসচিব  
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: ‘বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) কর্তৃক ঢালাওভাবে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানাসমূহ দেশি-বিদেশি বেসরকারি কোম্পানির বিনিয়োগের জন্য রাষ্ট্রায়ত্ত ৫টি কর্পোরেশনের আওতাধীন ১৩ টি চিনিকল সহ ৪৪টি শিল্প প্রতিষ্ঠান বিক্রির গণবিরোধী তৎপরতার গভীর উদ্বেগ ও উৎকন্ঠা প্রকাশ এবং তীব্র প্রতিবাদ জানিয়ে’ বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি-বাংলাদেশ ন্যাপ'র নেতৃত্ব বলেন, ‘দেশের বিপুল সংখ্যক শিল্প কল কারখানা ঢালাওভাবে নিলামে তোলার উদ্যোগ দেখে মনে হচ্ছে রাষ্ট্রীয় সম্পদ বানরের পিঠা ভাগ করার বিজ্ঞাপন প্রচার করা হচ্ছে। জনস্বার্থ বিরোধী সরকারের এই সিদ্ধান্ত থেকে বিরত থাকা উচিত। ’
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে বাংলাদেশ ন্যাপ মহাসচিব এম. গোলাম মোস্তফা ভুইয়া এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘দশ হাজার একরেরও বেশি জমির ওপর প্রতিষ্ঠিত ৪৪টি রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প কারখানা বিদ্যমান শিল্পসম্পদে পুনঃবিনিয়োগ, পুনর্গঠন ও পুনঃউন্নয়ন, ইজারাভিত্তিক ও দীর্ঘমেয়াদি ইজারাভিত্তিক ব্যবস্থা, যৌথ উদ্যোগ, কৌশলগত অংশীদারিত্ব নামে দেশি-বিদেশি বেসরকারি কোম্পানির কাছে বিক্রির উদ্যোগ মূলত রাষ্ট্রীয় সম্পদ তথা জনগণের মালিকানাধীন সম্পদের ওপর কর্পোরেট পুঁজির নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠার একটি সুপরিকল্পিত উদ্যোগ। যা রাষ্ট্র ও রাষ্ট্রের নাগরিকদের জন্য সুখকর নয়।’
ন্যাপ মহাসচিব আরো বলেন, ‘সরকার এই উদ্যোগকে বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধির কর্মসূচি হিসেবে ভুল ও মিথ্যা প্রচার করে জনগণকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে। কিন্তু বাস্তবে এটি দীর্ঘদিন ধরে বিশ্বব্যাংক ও আইএমএফের পরামর্শে নয়া উদারীকরণ ও বেসরকারিকরণ নীতিরই ধারাবাহিকতা মাত্র। বিশ্বব্যাংক, আইএমএফ এবং দেশি-বিদেশি বড় কর্পোরেট পুঁজির চাহিদা অনুযায়ী রাষ্ট্রকে উৎপাদন ও শিল্প পরিচালনা থেকে সরিয়ে দিয়ে কেবল বেসরকারি পুঁজির পৃষ্টপোষকতার প্রতিষ্ঠানে পরিণত করার যে নীতি বিগত আমল থেকে অনুসরণ করা হচ্ছে, চলমান উদ্যোগ তারই ধারাবাহিকতা ছাড়া আর কিছুই নয়।’
তিনি বলেন, ‘রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পপ্রতিষ্ঠান, ভূমি ও অবকাঠামো জনগণের সম্পদ। এসব সম্পদ কেবল বর্তমান প্রজন্মের নয়, ভবিষ্যৎ প্রজন্মেরও জাতীয় সম্পদ। শিল্পায়ন, কর্মসংস্থান, আঞ্চলিক ভারসাম্যপূর্ণ উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্পের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তাই সাময়িক আর্থিক লাভ কিংবা বিনিয়োগ আকর্ষণের অজুহাতে এই সম্পদের ওপর রাষ্ট্রের নিয়ন্ত্রণ দুর্বল করা জাতীয় স্বার্থের পরিপন্থী।’  
বিবৃতিতে তিনি ‘জাতীয় সম্পদ, অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব এবং রাষ্ট্রায়ত্ত শিল্প রক্ষায় সকল দেশপ্রেমিক, গণতান্ত্রিক দল, সংগঠন,ব্যক্তিসহ সকল দেশপ্রেমিক জনগণকে ঐক্যবদ্ধ গণআন্দোলন গড়ে তুলে শাসকশ্রেণি ও লুটেরাদের ষড়যন্ত্র রুখে দাড়ানোর আহ্বান জানান।’ সূত্র: যুগান্তর

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট


সঙ্গীত একাডেমি, কানেকটিকাট

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি