৯ জুলাই ২০২৬

সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দারুণ রেকর্ড

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৮ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৪ পিএম
সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার দারুণ রেকর্ড

শেষ আটে মুখোমুখি আর্জেন্টিনা-সুইজারল্যান্ড। ছবি : রয়টার্স

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  বিশ্বকাপের যাত্রাটা গতকাল আটলান্টায় শেষ হতে পারত আর্জেন্টিনার। সেটা হয়নি।

লিওনেল মেসি-এনজো ফার্নান্দেজদের অবিশ্বাস্য কামব্যাকের কারণে। ৭৮ মিনিট পর্যন্ত ২-০ গোলে পিছিয়ে থাকা আলবিসেলেস্তারাই যে শেষ পর্যন্ত হাসিমুখে মাঠ ছেড়েছেন।

৩-২ গোলের নাটকীয় জয়ে তাই কোয়ার্টার ফাইনাল নিশ্চিত করেছে আর্জেন্টিনা। বিশ্বকাপ ট্রফি ধরে রাখার মিশনে এবার তাদের প্রতিপক্ষ সুইজারল্যান্ড।

যারা আজ সকালে ৭২ বছর পর প্রথমবারের মতো শেষ আটে সুযোগ পেয়েছে। কলম্বিয়ার বিপক্ষে রুদ্ধশ্বাস জয় পেয়েছে তারা। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ে কোনো দল গোল করতে না পারলে ম্যাচ টাইব্রেকারে গড়ায়। ভাগ্যের খেলায় ৪-৩ ব্যবধানে বাজিমাত করে সুইসরা।

তবে সব সময় তো আর ভাগ্যের জোরে জয় মিলবে না। শেষ আটে যদি আবার প্রতিপক্ষ আর্জেন্টিনা হয়, তাহলে জয়টা আরো কঠিন। কেননা তিনবারের বিশ্বকাপজয়ীদের কখনো হারাতে পারেনি তারা। এখন পর্যন্ত ৭ ম্যাচে দুই দলের সাক্ষাৎ হয়েছে। তাতে সুইসদের সাফল্য বলতে ২ ড্র।

বাকি ৫ ম্যাচেই পরাজয়ের তিক্ত স্বাদ পেয়েছে তারা।

১৯৯০ ও ২০০৭ সালের টানা দুই দেখায় ড্র করেছে সুইজারল্যান্ড। দুই ম্যাচের ফল ছিল সমান ১-১। বিপরীতে ৫ হারের দুটি বিশ্বকাপে। তাদের প্রথম সাক্ষাৎও হয় ফিফার টুর্নামেন্টেই। ১৯৬৬ বিশ্বকাপে প্রথম দেখায় ২-০ ব্যবধানের জয় পায় আর্জেন্টিনা। সর্বশেষ ১-০ গোলের জয়টিও পায় ২০১৪ বিশ্বকাপে। 

দুই দলের ১২ বছরের অপেক্ষা আবারও বিশ্বকাপ দিয়ে ফুরাচ্ছে। ১৯৮০ সালের প্রীতি ম্যাচে বড় জয়টি পেয়েছে আর্জেন্টিনা। সেবার সুইজারল্যান্ডকে ৫-০ গোলে হারায় আকাশী-নীলরা। অন্য দিকে ১৯৮৪ সালের ২-০ ব্যবধানের বিপরীতে ২০১২ সালে ৩-১ গোলে জেতে আর্জেন্টিনা। সবমিলিয়ে আর্জেন্টিনার ১৫ গোলের বিপরীতে ৪ বার জালের দেখা পেয়েছে সুইজারল্যান্ড।

অতীত পরিসংখ্যান তাই লিওনেল মেসিদের পক্ষেই কথা বলছে! তবে সময়টা ভালো কাটছে না আলবিসেলেস্তাদের। কেননা নকআউটের দুই ম্যাচেই জয়টা পেয়েছে হারতে হারতে। সূত্র: কালের কণ্ঠ

বিপি>টিডি

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি