তুরস্কের স্কুলে কিশোরের এলোপাতাড়ি গুলি, আহত ১১
সংগৃহীত ছবি
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: তুরস্কের একটি উচ্চ বিদ্যালয়ের বাইরে গোলাগুলির ঘটনায় অন্তত ১১ জন আহত হয়েছে। এ ঘটনায় ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরকে আটক করা হয়েছে।
মঙ্গলবার সকালে দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় মানিসা প্রদেশের ইনচি উজমেজ ভোকেশনাল অ্যান্ড টেকনিক্যাল আনাতোলিয়ান হাই স্কুলের বাইরে এ ঘটনা ঘটে। এক বন্দুকধারী গুলি চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। আহতদের মধ্যে দুজনের অবস্থা গুরুতর।
তুরস্কের আইনমন্ত্রী আকিন গুরলেক জানান, সন্দেহভাজন কিশোরের মা, বাবা ও দাদাকেও আটক করা হয়েছে।
সিসিটিভি ফুটেজে দেখা যায়, সন্দেহভাজন কিশোরটি একটি ফাঁকা রাস্তায় হাঁটার সময় শটগান পরীক্ষা করছে। এরপরের ফুটেজে তাকে হাতে অস্ত্র নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে দৌড়ে পালাতে দেখা যায়। সে ওই স্কুলেরই শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।
এ বছর তুরস্কে এটি তৃতীয় স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা।
সাম্প্রতিক সময়ে দেশটিতে সহিংসতা মোকাবেলায় সরকারের নানা পদক্ষেপের মধ্যেই নতুন করে এ ঘটনা ঘটল। তবে গোলাগুলির পেছনে কী কারণ ছিল, তা তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি। তদন্ত চলছে।
দেশটির আইন অনুযায়ী, ১৫ বছর বয়সী ওই কিশোরকে আনুষ্ঠানিকভাবে গ্রেপ্তার দেখানোর আগে আদালতে হাজির করতে হবে। তুরস্কের শিক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, এই ঘটনায় পুরো দেশ এবং বিশেষ করে শিক্ষাঙ্গনের মানুষ গভীরভাবে মর্মাহত হয়েছে।
ঘটনার তদন্তে মন্ত্রণালয়ের তিনজন জাতীয় তদন্তকারীকে মানিসা প্রদেশে পাঠানো হয়েছে।
এর আগে এপ্রিল মাসে তুরস্কে দুটি প্রাণঘাতী স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা ব্যাপক ক্ষোভের সৃষ্টি করে। এসব ঘটনার পর ২০২৬-২৭ শিক্ষাবর্ষে স্কুলের নিরাপত্তা জোরদার এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণ আরো কঠোর করার মতো নতুন পদক্ষেপ নেওয়া হয়।
এর আগে তুরস্কে স্কুলে গোলাগুলির ঘটনা সাধারণত দেখা যেত না। এপ্রিলের একটি হামলা হয় কাহরামানমারাশে। সেখানে ১৪ বছর বয়সী এক কিশোর গুলি চালিয়ে ১০ ও ১১ বছর বয়সী নয় শিক্ষার্থী এবং এক শিক্ষককে হত্যা করে। পরে হামলাকারী ঘটনাস্থলেই মারা যায়।
বিপি>টিডি
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি