৪ জুন ২০২৬

যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ব্যাপক হামলা

Logo
বাংলা প্রেস প্রকাশ: ০৪ জুন ২০২৬, ১০:৩৬ পিএম
যুদ্ধবিরতির মধ্যেই লেবাননে ইসরাইলের ব্যাপক হামলা

ইসরাইলের হামলায় লেবাননে ব্যাপক প্রাণহানি হয়েছে।

বাংলাপ্রেস ডেস্ক:  যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় লেবানের সঙ্গে যুদ্ধবিরতির চুক্তি হলেও নির্দিষ্ট কিছু এলাকার ক্ষেত্রে তা মানবে না ইসরাইল। দখলদার দেশটির সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দক্ষিণ লেবাননে তাদের চলমান সামরিক অভিযান চলবে। খবর সৌদি গেজেটের

ইসরাইলের প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ বলেছেন, হিজবুল্লাহকে লিতানি নদীর দক্ষিণাঞ্চল থেকে সরিয়ে না দেওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চলবে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া ইসরাইলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিচাই আদ্রাই বলেন, দক্ষিণ লেবাননে যুদ্ধ এখনো চলছে এবং সেনারা হিজবুল্লাহর অবকাঠামো ও স্থাপনাগুলো লক্ষ্য করে হামলা চালিয়ে যাচ্ছে। তিনি ওই অঞ্চলের বাসিন্দাদের জাহরানি নদীর দক্ষিণে ভ্রমণ না করার নির্দেশ দেন এবং সতর্ক করেন ‘যে দক্ষিণে যাবে, তার জীবন ঝুঁকিতে পড়বে।’

অন্যদিকে কাটজ বলেন, বৈরুতের সঙ্গে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি এখনো ‘শর্তসাপেক্ষ’ এবং এটি নির্ভর করছে দক্ষিণ লেবানন থেকে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সরানোর ওপর।

দক্ষিণ লেবাননে এখনও ইসরাইলি যুদ্ধবিমান ও ড্রোন উড়তে দেখা গেছে। আল-জাজিরা জানিয়েছে, টাইর শহরের ওপর দিয়ে খুব নিচু দিয়ে একটি ড্রোন উড়তে দেখা যায়, একই সময়ে বিভিন্ন এলাকায় গোলাবর্ষণ চালানো হয়।

লেবাননের বেকা উপত্যকার সোহমোর শহরে ইসরাইলি হামলায় তিনজন নিহত এবং চারজন আহত হয়েছেন। একইভাবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা থাকা সত্ত্বেও টেল আল-আকারেবসহ আরও কয়েকটি এলাকায় বিমান হামলা হয়েছে।

হাদ্দাথা, টিবনিন, হারিস এবং হারিনসহ দক্ষিণ লেবাননের একাধিক শহরে নতুন করে হামলা চালানো হয়েছে।

লেবাননের সিভিল ডিফেন্স কর্তৃপক্ষ জনগণকে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার পরও দক্ষিণাঞ্চলে না ফেরার আহ্বান জানিয়েছে। তারা বলেছে, অবিস্ফোরিত বোমা ও চলমান ঝুঁকির কারণে পরিস্থিতি এখনও বিপজ্জনক।

এর আগে যুদ্ধবিরতি ঘোষণার আগে হিজবুল্লাহ দক্ষিণ লেবাননের কানতারায় ইসরাইলি সেনাদের ওপর রকেট হামলা চালায় এবং বিউফোর্ট দুর্গের কাছে ড্রোন হামলা চালানোর দাবি করে। সূত্র: যুগান্তর
বিপি>টিডি

 


 

[বাংলা প্রেস হলো মুক্ত চিন্তার একটি বৈশ্বিক প্রচার মাধ্যম। এটি স্বাধীনচেতা মানুষের জন্য নিরপেক্ষ সংবাদ, বিশ্লেষণ ও মন্তব্য সরবরাহ করে। আমাদের লক্ষ্য হলো ইতিবাচক পরিবর্তন আনা, যা আজকের দিনে আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।]

মন্তব্য (0)

আলোচনায় যোগ দিন

আপনার মতামত শেয়ার করতে এবং অন্যান্য পাঠকদের সাথে যুক্ত হতে দয়া করে লগইন করুন।

এখনো কোন মন্তব্য নেই

Be the first to share your thoughts on this article!

আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন

সঙ্গীত একাডেমি


সঙ্গীত একাডেমি