চলতি অর্থবছরে সব স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন কঠিন হবে: ইসি মাছউদ
বাংলাপ্রেস ডেস্ক: বর্তমানে নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত রয়েছে। এই নির্বাচনের কাজ নির্দিষ্ট গতিতে এগিয়ে নেওয়ার পরেই অন্যান্য স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানগুলোর নির্বাচন আয়োজনের বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
সোমবার (১৯ অক্টোবর) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, আপাতত ইউপি ছাড়া অন্য কোনো নির্বাচন নিয়ে পদক্ষেপ নেওয়ার মতো পরিস্থিতি নির্বাচন কমিশনের নেই।
চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ভেতরে স্থানীয় সরকারের আওতাধীন সব নির্বাচন আয়োজন করা সম্ভব কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি এটিকে ‘কঠিন’ বলে উল্লেখ করেন।
তিনি স্পষ্ট করেই বলেন, সব নির্বাচন এই সময়ের মধ্যে শেষ করা সম্ভব হবে বলে মনে হয় না এবং এটি তাঁর ব্যক্তিগত পর্যবেক্ষণ। দেশের আবহাওয়া এবং সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়েই কমিশনকে এই ধরনের বিশাল কর্মযজ্ঞের পরিকল্পনা করতে হচ্ছে।
ইউপি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পূর্বে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে কোনো সংলাপ হবে কি না, তা নিয়ে এখনই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানায়নি ইসি।
কমিশনার মাছউদ জানান, তফসিল ঘোষণার ঠিক আগে এই বিষয়ে চিন্তাভাবনা করা হবে। যেহেতু কমিশন এখনো তফসিল ঘোষণা করেনি, তাই সময়সূচি বা এ সংক্রান্ত বিস্তারিত কোনো তথ্য প্রকাশ করার সময় এখনো আসেনি। এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর সহযোগিতা ও সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা জরুরি।
নির্বাচনী আইন পরিবর্তন না করেও নির্বাচনকালীন সেনাবাহিনী মোতায়েন করার পূর্ণ এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের রয়েছে বলে দাবি করেন আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তিনি জানান, আইন সংশোধন না করেও ইসি চাইলে সেনা মোতায়েন করতে পারে। ইউপি নির্বাচনের প্রথম ধাপের সামগ্রিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি মূল্যায়ন করে পরবর্তী ধাপগুলোতে সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হবে কি না, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
বিপি/কেজে
আপনি এগুলোও পছন্দ করতে পারেন
সঙ্গীত একাডেমি